অনলাইন ডেস্কঃবিডি খবর ৩৬৫ ডটকম
বাংলাদেশি একজন ইমাম ও তার সহকারীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে নিউইয়র্ক রাজ্যের কুইনস শহরে। সেখানকার স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারী তাদের ঠিক পেছন থেকে এসে সরাসরি মাথায় গুলি করেছে।
<h1>A house of total IT product</h1>
<h1>Call us for home delivery</h1>
<h1>01817103881</h1>
<h1>Or click here for details</h1>
<h1>Printer</h1>
<h1>Tonner/Cartrige</h1>
<h1>UPS/IPS</h1>
<h1>Battery</h1>
<h1>Power Cable</h1>
<h1>VGA Cable/ USB Cable</h1>
<h1>Router</h1>
<h1>Modem</h1>
<h1>Switch</h1>
<h1>Lan Card</h1>
<h1>Network Cable</h1>
<h1>Casing</h1>
<h1>Processor</h1>
<h1>Mother Board</h1>
<h1>HDD/RAM</h1>
<h1>DVD/Game card</h1>
<h1>Keyboard/Mouse</h1>
<h1>Speaker/Head phone</h1>
<h1>Time Attendance Machine</h1>
<h1>Video door phone</h1>
<h1>Access Control Device</h1>
<h1>CC Camera</h1>
<h1>DVR/NVR</h1>
<h1>Security based product</h1>
স্থানীয় সময় শনিবার দুপুরে জোহরের নামাজের পর কুইন্সের ওজনপার্কে ‘আল ফোরকান জামে মসজিদ’ এর কাছে এ ঘটনা ঘটে।নিহতদের মধ্যে মাওলানা আলাউদ্দিন আকুঞ্জি (৫৫) ছিলেন ওই মসজিদের ইমাম। নিহত অপর ব্যক্তি থেরাউদ্দিন (৬৪) তার প্রতিবেশী।
ধর্মীয় বিদ্বেষ থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে অভিযোগ করে ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন প্রবাসী কয়েকশ বাংলাদেশি। তারা হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
নিউ ইয়র্ক পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর হেনরি সটনার ঘটনাস্থলে সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘প্রকাশ্য দিবালোকে এমন পরিস্থিতি সত্যি উদ্বেগের ব্যাপার। এটি হেইট ক্রাইম কি না- তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’ তাদের ধর্মীও বিশ্বাসের জন্যই তাদের হত্যা করা হয়েছে কিনা তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
ইমাম মাওলানা আকনজি (৫৫) দুই বছর আগে বাংলাদেশ থেকে নিউ ইয়র্কে আসেন।
ওজোনা পার্কে এই হত্যাকাণ্ড চালানোর পর বন্দুকধারী সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ হত্যাকারীকে খুঁজছে বলে জানা যায়।
ইমামের সঙ্গে এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা তার সহকারী তাহারা উদ্দিন (৬৪) আল-ফুরকান জামে মসজিদের কাছে থাকা অবস্থায় শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা বেজে ৫০ মিনিটে গুলি করে হত্যা করা হয়।
এদিকে ইমামের আত্মীয় রাহি মাজিদ নিউ ইয়র্ক ডেইলি নিউজকে জানায়, সে কাউকে কখনো আঘাত করেনি। আপনি তাকে দেখলে বুঝতেন, সে যখন রাস্তা দিয়ে হেটে যেত, তখন এক শান্তি বয়ে আনত। রয়টার্স