নিত্য পন্যের বাজার নিয়ে অতিকথন
বেশ কয়েক মাস ধরেই নিত্য পন্যের মূল্য নিয়ে চলছে নানা ধরনের নেতি বাচক কথাবার্তা। বাজার মূল্যের সাথে মানুষের মুখে মুখে মূল্য শুনার অনেক তফাৎ রয়েছে। সাধারনত দেখা যায় যে জিনিষের মূল্য বাড়তে থাকে সেই জিনিষের মূল্য নিয়ে মুখে মুখে নানা গুজব চলতে থাকে। যে জিনিষের বাজার মূল্য ৫০টাকা অনেক সময় সেই জিনিষের দাম মানুষের মুখে মুখে শুনা যায় ৬০/৭০টাকা। তবে এভাবেই গুজব ছড়িয়ে পড়ে ও জিনিষের দাম বাড়তে থাকে। অনেক সময় আমরা জিনিষের দাম জিজ্ঞেস করলে দোকানদার প্রকৃত বিক্রয় মূল্য হতে কিছুটা বাড়িয়ে বলে। আর আমরা সেই দামই মুখে মুখে বলতে থাকি। যেমন দোকানদার তরমুজের কেজির দাম চাইলো ৬০ টাকা। তা শুনে আমরা প্রচার করি তরমুজের কেজি ৬০ টাকা। কিন্তু আমরা যদি একটু দরকষাকষি করি তাহলে দেখা যায় তরমুজের কেজি আসলে ৫০ টাকা। তবে অনেক সময় বাজার মূল্য নিয়েও রাজনীতি ও রাজনৈতিক কথাবার্তা চলে।

রাজধানীর মহাখালী কাঁচা বাজারে সরেজমিনে বিভিন্ন নিত্য পন্যের নিন্ম লিখিত মূল্য দেখা যায়-
১। পিয়াজ (দেশী)-৩৫ টাকা কেজি
২। রসুন(ইন্ডিয়ান)-১০০ টাকা কেজি
৩। আলো ১৮-২০ টাকা কেজি
৪। আদা-১০০ টাকা কেজি
৫। মশুর ডাল(দেশী) ১২০-১৩০ টাকা কেজি
৬। মশুর ডাল(মোটা) ১০০ টাকা কেজি
৭। ছোলা ডাল-৮৫ টাকা কেজি
৮। ছোলা-৭৫ টাকা কেজি
৯। করলা-৬০ টাকা কেজি
১০। ওচতা-৭০-৮০ টাকা কেজি
১১। ডেড়স-৬০ টাকা
১২। জালি কুমড়া-৪০-৫০ টাকা প্রতি পিছ
১৩। ছিচিংগা-৫০ টাকা কেজি
১৪। শশা-৭০-৮০ টাকা কেজি
১৫। লম্বা বেগুন-৭০-৮০ টাকা কেজি
১৬। কাঁচা আম-১০০-১৫০ টাকা কেজি
১৭। তরমুজ-৫০ টাকা কেজি
১৮। গ্রীন আপেল-২২০ টাকা কেজি
১৯। সবুজ আঙ্গুর-২০০-২২০ টাকা কেজি
২০। চাপা কলা ২০ টাকা হালি
