জার্মানির লেপার্ড-২ ট্যাংক সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে জার্মানির তৈরী লেপার্ড ট্যাংক নিয়ে চলছে ব্যপক আলোচনা। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলনেস্কি জার্মানির কাছে এই ট্যাংক চেয়েছেন। অনেকে বলে আসছেন এই ট্যাংক ইউক্রেনের সেনারা পেলে যুদ্ধের গতি প্রকৃতির মোড় ঘুরে যাবে। কিন্তু জার্মানি ইউক্রেনকে এই ট্যাংক দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এটি একটি অতি শক্তিশালী ও আধুনিক ট্যাংক।

লেপার্ড-২ ট্যাংক

লেপার্‌ড-২ জার্মানির তৈরী একটি তৃতীয় প্রজন্মের ট্যাংক। ক্রাউস মাফেই ১৯৭০ সালে পশ্চিম জার্মানির সেনাবাহিনীর জন্য লেপার্ড-২ ট্যাংক তৈরী করেন। এটি ১৯৭৯ সালে পশ্চিম জার্মানির সেনাবাহিনী প্রথম ব্যবহার শুরু করে।এই সময় থেকে এটি লেপার্ড-১ ট্যাংকের উন্নত সংস্করণ হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি রাইন মেটাল দিয়ে তৈরী ও ১২০ মিমি স্মুথবোর কামান দিয়ে সজ্জিত। এই ট্যাংকটি এমটিউ ফ্রেডরিকশাফন দ্বারা তৈরী একটি বি-১২ টুইন-টার্বো ডিজেল ইঞ্জিন দিয়ে চালিত।

জার্মানি ও ১৩টি ইউরোপীয় দেশসহ কানাডা, চিলি, ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুরও এই ট্যাংক ব্যবহার করে। এই ট্যাংক কসোভো ও আফগানিস্তানে ব্যবহার হয়েছে।তুরস্ক সিরিয়ায় এই ট্যাংক ব্যবহার করেছে। এর দুটি মডেল রয়েছে লেপার্ড ২এ৪ ও লেপার্ড ২এ৫। অরিজিনাল মডেল ২এ৪ এ উলম্বভাবে মুখোমুখি বুরুজ বর্ম রয়েছে। লেপার্ড ২এ৫ এ তীর আকৃতির বুরুজ এপ্লিক আর্মার রয়েছে।এ ছাড়াও এ মডেলটিতে লেজার রেঞ্জফাইন্ডার, ডিজিটাল ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম, একটি স্থিতিশীল প্রধান বন্দুক, কোএক্সিয়াল মেশিনগান, নাইট ভিশন ও দেখার জন্য উন্নত সরঞ্জাম রয়েছে। এটি আঁকাবাঁকা ও উচুনিচু দিয়ে চলার সময়ও লক্ষ ভেদ করতে সক্ষম।

ইইউ নেটোর ক্রীতদাস হিসাবে কাজ করছে-পুটিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন বলেছেন, ইইউ নেটোর ক্রীতদাস হিসাবে কাজ করছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে নেটো ও ইইউ একসঙ্গে ইউক্রেনের জয়ের পক্ষে কাজ করবে মঙ্গলবার এই যৌথ ঘোষনা আসার পরিপ্রেক্ষিতে পুটিন এই মন্তব্য করেছেন। আর নেটো ও ইইউর যৌথ ঘোষনা উত্তর আটলান্টিকে ইইউর অধস্তনতাই প্রকাশ করে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। আর এই ঘোষনাকে বল প্রয়োগ করে আমেরিকার স্বার্থ হাসিলের একটি হাতিয়ার বলে মনে করেন জাখারোভা।

ছবি-সংগৃহীত

জাখারোভা বলেন ইউরোপীয়রা আমেরিকার কাছে তাদের বিশ্ব অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বকিয়তা হারিয়ে ফেলেছে এবং আমেরিকার ওপর তাদের ক্রমবর্ধমান নির্ভরশীলতাই প্রকাশ পাচ্ছে। এদিকে রাশিয়ার ভাড়াটে গ্রুপ ওয়াগনার দাবি করছে যে তারা ইউক্রেনের লবনখনি সমৃদ্ধ শহর বলদারের দখল নিয়েছে। অপরদিকে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বলদার শহরে তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

রাজধানীসহ সারাদেশ তীব্র শীতে কাঁপছে, ঢাকায় সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস

গত ১২ ঘন্টায় দেশের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৮.৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস। একই সময়ে ঢাকার তাপমাত্রা ১১.৫ সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এ বছর এটিই ঢাকার সর্বনিন্ম তাপমাত্রা। রাতে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে। শীতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। তীব্র শীতে খেটে খাওয়া মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।

(ফাইল ফটো)

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায়, মানুষের চলাচল খুবই সীমীত। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। শীতের কারনে রিক্সা ও সিএনজির যাত্রী নেই। শীতে রিক্সায় বাতাস লাগে তাই চলাচল্ খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। চা ও পিঠার দোকানগুলিতে মানুষের ভীড় লেগে আছে। সবাই একটু উঞ্চতার পরশ নিতে চাচ্ছে। রাজধানীর অধিকাংশ বাসা টাইলসের হওয়ায় বাসার ভিতরেও প্রচন্ড ঠান্ডা বিরাজমান। গতকাল দুপুরে অল্প সময়ের জন্য রাজধানীতে সূর্যের দেখা মিললেও আজ সারাদিনই সূর্য অনুপস্থিত ছিল।সারাদিনই রাজধানী কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিল। দিনের বেলায় হেড লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলাচল করেছে। কুয়াশার কারনে সারাদেশে ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে। কুয়াশায় দুর্ঘটনার সংখ্যাও বেড়ে গেছে। আবহাওয়ার বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষন করে আরও বেশ কয়েকদিন শীতের এ অবস্থা অব্যহত থাকার ইঙ্গিত মিলছে।

বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ-আইএমএফের পরিসংখ্যান

করোনা মহামারীর দুই বছর ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের যুদ্ধের কারনে সারাবিশ্ব যখন কঠিন সময় পাড় করছে সেই সময়েও বাংলাদেশের জিডিপির আকার বেড়েছে।আইএমএফের এক পরিসংখ্যানে বিশ্বের বৃহৎ ৫০টি দেশের মধ্য বাংলাদেশের অবস্থান ৩৫তম। গত বছরে এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪১তম। ৪৬৫ বিলিয়ন ডলার জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন নিয়ে সদ্যগত ২০২২ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৫তম। এর আগের বছরে এই অবস্থান ছিল ৪১তম এবং তখন বাংলাদেশের জিডিপির আকার ছিল ৩৯৭ বিলিয়ন ডলার।

আইএমএফের পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে কানাডার একটি অনলাইন প্রকাশনা সংস্থা ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টে গত ২৯ ডিসেম্বর প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করে। দেশগুলোর মোট দেশজ উৎপাদনের ভিত্তিতেই এই তালিকা প্রকাশ করে আইএমএফ। ১৯১টি দেশ নিয়ে আইএমএফের এই তালিকা প্রকাশ হয়। তালিকায় ১ম,২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, জার্মানি ও ভারত। তালিকায় বাংলাদেশের পিছনে রয়েছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনাম।

কোনো পদক্ষেপ ছাড়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ আল আকসার স্থিতাবস্থার উপর জোর দিয়েছে

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু ইসরায়েলের নতুন উগ্র ডানপন্থী নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বিতর্কিত সফরের পর কোনো পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দেননি। তারা জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন। ফিলিস্তিনি নেতারা তার এই সফরকে “অভূতপূর্ব উস্কানি” বলে অভিহিত করেছেন।

(ছবিঃসংগৃহীত)

আল আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে কয়েক দশকের পুরনো স্থিতাবস্থায় এই স্থানে শুধুমাত্র মুসলমানদের উপাসনার অনুমতি দেয়, যা মক্কা ও মদিনার পরে ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। কিন্তু স্থানটি ইহুদিদের দ্বারাও সম্মানিত, যারা এটিকে টেম্পল মাউন্ট বলে। ইসরায়েলের অতি-ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরে স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করার এবং স্থানটিতে ইহুদিদের প্রার্থনার অনুমতি আদায়ের চেষ্টা করছে। আল-আকসা মসজিদের জায়গায় একটি ইহুদি মন্দির নির্মাণের জন্য ইসরায়িলের অতি ডানপন্থীরা চেষ্ঠা করে আসছে।

জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের দূত রিয়াদ মনসুর বৃহস্পতিবার বেন-গভিরের উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নিরাপত্তা পরিষদে চাপ দিয়েছেন। ইসরায়েলের নতুন নিরাপত্তা মন্ত্রী আরবদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী উস্কানি, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের বিরোধিতা এবং অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণ এবং শেখ জাররাহ এলাকায় বসতি স্থাপনকারীদের নেতৃত্বের অভিযানের জন্য সুপরিচিত।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতর থেকে আল জাজিরার কূটনৈতিক সম্পাদক জেমস বেস রিপোর্ট করছেন এবং বলেছেন যে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা আল আকসা প্রাঙ্গণের পরিস্থিতি এবং বৃদ্ধির বিপদ সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু তাদের কথাবার্তা সীমিত ছিল এবং তারা খুব কমই ইসরায়িলের সমালোচনা করেছেন। ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত বলেছেন, কাউন্সিল কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন এবং কাউন্সিলকে সতর্ক করেছেন যে পরিস্থিতি একটি বিদ্রোহে পরিণত হতে পারে।

সাম্প্রতিক দিনগুলিতে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন যে তার নতুন সরকার ফিলিস্তিনি ভূমি জুড়ে অব্যাহত ইসরায়িলি বসতিকে সমর্থন করে। জাতিসংঘে ইসরায়িলের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, নিরাপত্তা পরিষদের এমন বৈঠক ডাকার প্রয়োজন ছিল না।

মজা পাইলাম না!

বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু। এই সেতুর নির্মাণ বাধাগ্রস্ত করতে প্রকাশ্যে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র হয়েছে। আমাদের দেশের আমেরিকার দালালগুলো উলঙ্গ হয়ে নেমেছিল পধ্মা সেতুর বিরুদ্ধে।অনেকে বলেছিল “পদ্মাসেতু জোড়াতালি দিয়ে তৈরী করা হচ্ছে। আমি এই সেতুতে উঠবো না। আপনারাও উঠবেন না। বিপদ আছে কিন্তু।” কিন্তু সব বাধা অতিক্রম করে শেখ হাসিনার সরকার পদ্মাসেতু নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছে। পদ্মা সেতু চালু হয়, দেশের মানুষ তাতে অনেক খুশী হয়। কিন্তু যারা পদ্মাসেতুর বিপক্ষে ছিল তারা খুশী হতে পারেনি। তবে সেতু উদ্বোধনের পরপরই বিরোধীরাও খুশীতে নেচে উঠেছিল। সেতু উদ্বোধন কিংবা নির্মাণের কারনে না। একটা নাটবল্ট লোজ থাকার কারনে। সেই হিসাবে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন দেশের সরকারী দল-সরকার বিরোধী দল সকলেই খুশী হয়েছিল তা বলা যায়।

কিন্তু ২৮ তারিখ দেশের আরও এক মেগাপ্রকল্প মেট্রোরেল চালু হয়েছে। তাতে সরকারি দল, সাধারন মানুষ ও সরকারের পক্ষের সকলেই খুশী হয়েছে। তবে সরকার বিরোধীরা খুশী হতে পারেনি। কারন মেট্রোরেলে নাটবল্ট লোজ পাওয়া যায়নি। পাইলে হয়ত বিরোধীরাও আনন্দে উৎসবে মেতে উঠতে পারতো। তাই মেট্রোরেল চালুর মধ্য দিয়ে দেশের সব মানুষ মজা পাইলো না – এ কথা বলাই যায়।

নরসিংদী জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে কাঠালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে মতবিনিময় সভা

আসন্ন নরসিংদী জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আব্দুল মতিন ভূইয়ার পক্ষে মাধবদীর কাঠালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে সোমবার এক মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়। এই মতবিনিময় সভায় কাঠালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ উক্ত ইউনিয়নের ১৩ জন জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ১৩ জন জনপ্রতিনিধির সকলেই আব্দুল মতিন ভূইয়াকে কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। এই সভায় নরসিংদী জেলা আওয়ামীলীগের নবনির্বাচিত সভাপতি জিএম তালেব হোসেন ও সাধারন সম্পাদক পীরজাদা মোহাম্মদ আলী ছাড়াও প্রার্থী আব্দুল মতিন ভূইয়া বক্তব্য রাখেন।

সভায় বক্তারা বলেন, আব্দুল মতিন ভূইয়া একজন সৎ, নির্লোভ, বিনয়ী ও যোগ্য প্রার্থী। তার বিরুদ্ধে সাধারন মানুষের কোন অভিযোগ নাই। মতিন ভূইয়াকে ভোট দেওয়ার জন্য সকল বক্তাই ভোটারদের অনুরোধ করেন। আগামী ১৭ই অক্টোবর নরসিংদী জেলা পরিষদ নির্বচনে মতিন ভূইয়া বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উক্ত মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তাতীলীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শওকত আলী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য অধ্যাপক সৈয়দ ফজলুর রহমান ও নরসিংদী পৌরসভার মেয়র আমজাদ হোসেন বাচ্চু।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাইব্রিডরাই হবে আওয়ামীলীগের জন্য বড় সমস্যা

২০০৮ সাল থেকে আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশ করেছে কিছু সুবিদাভোগী। এদের অনেকেই খুদ রাজনীতিতেই নবাগত। ক্রমেই গ্রুপিং লবিং করে এরা এদের অবস্থান পাকাপুক্ত করছে। এদের দাপটে আওয়ামীলীগের ত্যগী নেতাকর্মীরা দলে কোনঠাসা হয়ে আছে। মোনাফেকি আচার আচরনের কারনে ভোটের রাজনীতিতে এরা ভালই করছে। সজজেই এরা সাধারন মানুষকে ম্যানেজ করে পক্ষে নিয়ে যেতে পারে। এদের প্রতি রয়েছে বিএনপি-জামাতের সমর্থন।

Thumbnail

দল মনোনয়ন না দিলে এরা দলের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে স্বতন্ত্র কিংবা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে যায়। এই কাজটি করতে দলের কাছে তাদের জবাবদিহি করতে হয় না। কারন এরা দলের আসল নেতাকর্মী না। পরে আর সুযোগ নাও আসতে পারে। তাই অতি দ্রুততার সাথে এগিয়ে যেতে হবে। নগদ যা পাওয়া যায় নিয়ে নিতে হবে। এরাতো অনুপ্রবেশ করেছেই দল থেকে সুবিদা নেওয়ার জন্য।

এদের অনেকে থানার দালালী করে বেশ ভালই ইনকাম করে থাকে। অনেকে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার সাথেও জরিত। ঠিকাদারি ব্যবসায়ও এরা এগিয়ে আছে। অর্থ দিয়ে নেতাদের ম্যানেজ করে পদ দখলেও এরা ওস্তাদ। এরা দলীয় মনোনয়ন না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে যায়। এদের অনেকে নির্বাচনে বিজয়ীও হয়ে যায়। নৌকা ডুবাতে বিএনপি-জামাতের একচেটিয়া ভোট তারা পেয়ে যায়। আর বিএনপি-জামাত নিজ দলীয় প্রার্থীকে ভোট না দিয়ে তখন আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নৌকা ডুবিয়ে আনন্দ পায়।

আওয়ামীলীগের হাইকমান্ড এই হাইব্রিড নেতাদের নিয়ে বেশ চিন্তিত। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এরা সমস্যা সৃষ্টি করবে। তাই আগে থেকেই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে দলীয় হাইকমান্ডে।

নরসিংদীতে আনন্দঘন পরিবেশে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালিত

নরসিংদী জেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মদিন পালিত হয়েছে। জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, আলোচনা সভা, দোয়া, তবারক বিতরণ ও আনন্দ র‍্যালির আয়োজন করা হয়। শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে নরসিংদী জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নরসিংদী জেলা শাখার সভাপতি জিএম তালেব হোসেন, সাধারন সম্পাদক পীরজাদা মোহাম্মদ আলী, নরসিংদী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ভূইয়াসহ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর অংশ গ্রহনে জন্মদিনের এই অনুষ্ঠান শেষে আনন্দ র‍্যালির আয়োজন করা হয়। তাতে সকল শ্রেনী-পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করে।

টান টান উত্তেজনা ও সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নরসিংদী জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১৭ই সেপ্টেম্বর শনিবার নরসিংদী জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে জি এম তালেব হোসেনকে সভাপতি ও পীরজাদা মোহাম্মদ আলীকে সাধারন সম্পাদক ঘোষনা করা হয়। এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নরসিংদী জেলায় টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। অবশেষে টান টান উত্তেজনা ও সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নরসিংদী জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় আনন্দঘন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে। নরসিংদী মুসলেহ উদ্দিন ভূইয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বিপুল জনসমাগম হয়।

এই সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক যোগাযোগ ও পরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের (এমপি)। সম্মেলনের উদ্ভোদক ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ প্রেসিডিয়ামের সদস্য জনাব ডঃ আব্দুর রাজ্জাক (এমপি)। এই সম্মেলনের প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম (এমপি)। কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্য আরও উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট কামরুল ইসলাম, মৃনাল কান্তি দাস্‌, এডভোকেট সানজিদা খাতুন, দেলোয়ার হোসেন, মেহের আফরুজ চুমকি, সামসুন নাহার চাপা, এডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওসার, ইকবাল হোসেন অপু (এমপি), আনোয়ার হোসেন, সাহাবুদ্দিন ফরাজী, সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীমসহ আরও অনেকে।

এই সম্মেলনে সভাপতি হিসাবে ৩ জন প্রার্থী ছিলেন। তারা হলেন জি এম তালেব হোসেন, লেঃ কর্নেল নজরুল ইসলাম হিরু (এমপি) ও জহিরুল হক মোহন (এমপি)। অপরদিকে সাধারন সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন ১৮ জন। তাদের মধ্য পীরজাদা মোহাম্মদ আলী, কামরুজ্জামান কামরুল, মন্তাজ উদ্দিন ভূইয়া ও আমিরুল ইসলাম ভূইয়া ছিলেন অন্যতম। এই সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন নরসিংদী জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিএম তালেব হোসেন ও সভা সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক পীরজাদা মোহাম্মদ আলী। দ্বিতীয় অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন ডঃ আব্দুর রাজ্জাক। ডঃ আব্দুর রাজ্জাক সভাপতি হিসাবে জিএম তালেব হোসেন ও সধারন সম্পাদক হিসাবে পীরজাদা মোহাম্মদ আলীর নাম ঘোষনা করেন।

সাজেদা চৌধুরীর জীবন বৃতান্ত

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা ছিলেন। তিনি পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৭৪ সালে গ্রামীণ উন্নয়ন ও শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেস্কো ফেলোশিপপ্রাপ্ত হন এবং একই সময়ে তিনি বাংলাদেশ গার্ল-গাইড এসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার হিসেবে সর্বোচ্চ সম্মানসূচক সনদ সিলভার এলিফ্যান্ট পদক লাভ করেন। তিনি ২০০০ সালে আমেরিকান বায়োগ্রাফিক্যাল ইনস্টিটিউট কর্তৃক বর্ষসেরা নারী নির্বাচিত হন। ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

ব্যক্তি জীবন

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৩৫ সালের ৮ মে মাগুরা জেলায় মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সৈয়দ শাহ হামিদ উল্লাহ এবং মাতা সৈয়দা আছিয়া খাতুন। শিক্ষাজীবনে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তার স্বামী গোলাম আকবর চৌধুরী রাজনীতিবিদ এবং সমাজকর্মী ছিলেন। ২০১৫ সালের ২৩ নভেম্বর তার স্বামী মৃত্যুবরণ করেন। তাদের তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

রাজনৈতিক জীবন

১৯৫৬ সাল থেকে সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯৬৯–১৯৭৫ সময়কালে তিনি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭০-এর নির্বাচনে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নির্বাচনেও তিনি জয়লাভ করেন।

১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন।। ১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে তিনি বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক ও ১৯৭২-১৯৭৬ সময়কালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডের জাতীয় কমিশনার ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৭৬ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৯৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯১ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়কের দায়িত্বও পালন করেন।

১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে টেকনোক্র‍্যাট কোটায় বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিযুক্ত করা হয়। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে, তিনি ফরিদপুর (ফরিদপুর-২; নগরকান্দা, সালথা ও সদরপুরের কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন) থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।দশম ও একাদশ সাধারণ নির্বাচনেও তিনি এ জেলা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি জাতীয় সংসদের উপনেতা হন। এরপর ২০১৪ ও ২০১৮ সালেও তিনি একই পদ অলংকৃত করেন।

মৃত্যু

তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবশেষে ১১ সেপ্টেম্বর রোববার রাত ১১টা ৪০ মিনিটে তিনি সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

নরসিংদী জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী আব্দুল মতিন ভূইয়া

আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে নরসিংদী জেলায় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আব্দুল মতিন ভূইয়া। আজ বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর বাস ভবন গনভবনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন বোর্ডের এক সভায় ৬৪ জেলার জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলী‌গের মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষনা করা হয়। তাতে নরসিংদী জেলায় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আব্দুল মতিন ভূইয়া। আওয়ামীলীগের নির্বাচনী বোর্ডের প্রধান শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এই সভায় গাইবান্ধা ৫ আসনের উপনির্বাচনে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছেন। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার এডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়ার মৃত্যুতে এই আসনটি শূন্য ঘোষনা করা হয়। আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য আমির হোসেন আমু, শেখ সেলিম, কাজী জাফরুল্লাহ, কর্নেল ফারুক খান, ড. আব্দুল রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, মাহবুব উল আলম হানিফসহ অন্যান্যরা।

নুরু মিয়া একজন কৃষক

অনেকদিন আগে টিভিতে ইন্ডিয়ান একটা মুভি দেখেছিলাম। মুভিটির নাম মিঃ ইন্ডিয়া। তাতে নায়ক নায়িকা হিসাবে ছিলেন অনিল কাপুর ও শ্রীদেবী। অনিল কাপুরের হাতে একটা আংটি ছিল। এই আংটি থাকার কারনে অনিল কাপুরকে তার আশপাশের কেউই দেখতে পেতেন না। শ্রীদেবী যখন গুন্ডাদের খপ্পরে পড়েন তখন ছায়া হয়ে অনিল কাপুর শ্রীদেবীর পাশে থেকে গুন্ডাদের কঠিন মাইর দিতেন। এই সময় গুন্ডা ও শ্রীদেবী কেহই অনিল কাপুরকে দেখতে পেতেন না। শ্রীদেবী হাত পা নাড়ালেই গুন্ডারা পড়ে যেত। তাতে শ্রীদেবী ও গুন্ডারা মনে করতো এটা শ্রীদেবীরই কারিশমা।

Premium Vector | Indian farmer plows field with plough of pulled ox

হালে নুরুল হক নুর আন্দোলনে নামলেই বিএনপি-জামাতের লোকেরা তাকে জনবল দিয়ে সাপোর্ট দিয়ে যায়। কিন্তু নুর মনে করে এরা সকলেই তার লোক/সাপোর্টার। প্রকৃত পক্ষে নুরের তেমন কোন সাপোর্টার নাই। মুলত বিএনপি জামাতের লোকেরাই অনিল কাপুরের মত নুরের পিছনে সরব। এইটা নুর তখনই বুঝবে যখন সময় হলে বিএনপি জামাত নুরের কাছ থেকে সরে যাবে।

নুরু মিয়া একজন কৃষক তার নিজের জমি নাই। বিএনপি-জামাতের জমি চাষ করে খায়। বিএনপি জামাতের জমি আছে কিন্তু হালের বলদ নাই।তাই নুরু বলদকে দিয়ে হাল চাষ করায়। ফসল যাবে বিএনপি-জামাতের ঘরে আর বলদ হিসাবে খাটবে নুরু।

সালমান রুশদিকে ছুরিকাঘাত

অজ্ঞাত ব্যক্তির ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন সেটানিক ভার্সেস খ্যত কুখ্যাত লেখক সালমান রুশদি। নিউইয়র্কের এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এক ব্যক্তি তাকে ছুরিকাঘাত করে। তার গলার কয়েক স্থানে ছুরিকাঘাত করা হলে প্রচুর রক্তক্ষরন হয়। অল্প সময়ের মধ্য তাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রুশদি ভেন্টিলেশনে আছেন। তার অবস্থা আশংকামুক্ত নয়।

Image shows Salman Rushdie

১৯৮৮ সালে সালমান রুশদি সেটার্নিক ভার্সেস নামে বইটি লিখে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত আনেন। বইটিতে ইসলাম, কুরআন ও হযরত মোহাম্মদ(সঃ) নিয়ে কটুতোক্তি করা হয়। বইটি প্রকাশ হলে সারাবিশ্বে ফুসে উঠে মুসলিমরা। এই নিয়ে সারাবিশ্বে বিক্ষোভ প্রতিবাদে করতে গিয়ে ৫০ জনের অধিক মানুষ নিহত হয়। ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়েতুল্লা খুমেনী তখন সালমান রুশদির মাথার জন্য বিপুল অংকের টাকার পুরস্কার ঘোষনা করেছিলেন।

ছাঁই রাখবেন ছাঁই

জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে মানুষ কত পেশাই না বেছে নেয়। সকল পেশার সাথেই সকল শ্রেনীর মানুষ নানাভাবে জড়িত কিংবা উপকৃত। তেমনি নাগরিক জীবনেও এ সমস্ত বৈচিত্রময় পেশার কারনেই আমরা নানা ধরনের সার্ভিস পেয়ে থাকি। রাজধানীতে সকাল বেলা আমাদের ঘুম ভাংগে ‘ছাঁই রাখবেন ছাঁই’ এই ডাক শুনে। একটা বস্তায় ছাঁই নিয়ে ফেরি করে মাঝ বয়সী কোন মহিলা। তারপরেই শুনা যায় কেউ মাইক দিয়ে বলছে ‘পাটা ধার বটি ধার’। আর ঘুমানোর উপায় নাই নানা রকমের ফেরিওয়ালার ডাকে। আজানের পর এরাই স্মরন করিয়ে দেয় সকাল হয়েছে। ঘুম থেকে উঠ। ওইদিকে শুনা যাচ্ছে ‘এই কাগজ’ বলে কেউ ডাকছে।

সবজি বিক্রেতারাও বসে নেই। রিক্সাভ্যানে নানা রকমের সবজি সাজিয়ে ডাকছে ‘এই সবজি’। ঢেঁরশ, লাউ, করলা, বেগুন, কাঁচা মরিচসহ আরও কত কি। এরাও আজকাল হ্যান্ড মাইক ব্যবহার করছে। কি চান আপনি সবই পাবেন বাসার সামনেই। এক এক করে এক এক জন ফেরিওয়ালা আসে এক এক ধরনের সেবা নিয়ে। এরই মধ্য আরেক জন মাইকে বলছে ‘নস্ট কম্পিউটার, নস্ট মনিটর, নস্ট আইপিএস ও আইপিএসের ব্যাটারী। থাকলে বিক্রি করতে পারেন। ভ্যানে মৌশমী ফল আম, কাঁঠাল, লিচু সাজিয়েও বাসার সামনে কোন একজন ফেরিওয়ালা ডাকাডাকি করছে। হাড়িপাতিল ওয়ালারাও ডাকাডাকি করছে ‘এই হাড়িপাতিল’।রাখতে পারেন পুরাতন ভাংগা হাড়িপাতিল কিংবা পুরাতন কাপড় দিয়ে।

মাছের আঁশ, সেলুনের চুল কিংবা ছাই - ফেলে দেয়া যে পণ্যগুলো ডলার আনছে  বাংলাদেশে - BBC News বাংলা

পদ্মার ইলিশও পেয়ে যাই বাসার সামনেই। এই পদ্মার বড় বড় ইলিশ। রাখবেন। এরা এক হালির কম বেচতে চায়না। এক হালি চাইলে আবার তিন হালি গছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। দামও চায় বিক্রির চার গুন। ওদিকে ডাকছে ‘এই মুরগি, মুরগি’। জবাই করে কেটেও দিয়ে যায়। আরও কত কি। এভাবেই চলে সকল পেশা ও শ্রেনীর নাগরিক জীবন।

বাংলাদেশেও শ্রীলংকার মত অবস্থা হবে এই আশায় আস্ফালন করছে কিছু মানুষ

ইদানিং কিছু মানুষ রাস্তাঘাটে, চায়ের দোকানে কিংবা বাস ট্রেনে সরকারের নানামুখী সমালোচনা করছে। পদ্মা সেতু ও বিদ্যুতের লোডসেডিং নিয়েই বেশী সমালোচনা করছে তারা। পদ্মা সেতু থেকে পদ্মা সেতুর কথিত দুর্নীতি নিয়েই তারা বেশী সরব। তাদের কাছে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল কিংবা উড়াল সড়ক এই সব কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। এই সবের কথিত দুর্নীতিই তাদের কাছে বড় বিষয়। কোন রকমের তথ্য-উপাত্য ছাড়াই তারা দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মুখ দিয়ে ফেনা বের করছে। এরা হল স্বঘোষিত দুর্নীতির গবেষক। এই সমালোচকদের একটি শ্রেনী রয়েছে। এরা হল সরকার বিরোধী শ্রেনী। আরও খোলাখুলিভাবে বললে বলতে হয় এরা হল বিএনপি-জামাতের সমর্থক কিংবা নেতাকর্মী।

একটা শ্রেনী আছে যারা দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধিতে বেজায় খুশি। কেননা তাতে সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষ সৃষ্টি হবে। আর তাতে সরকারের পতন হবে, তার দলের ক্ষমতায় যাবার পরিবেশ তৈরী হবে। বাশটা কিন্তু তার পা…… দিয়েও যাচ্ছে। তাতে সমস্যা নাই! সরকারের পতনই হলো মূখ্য বিষয়। তারা দ্রব্যমূল্য কিংবা লোড সেডিং নিয়ে পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়ায়। তারা দেশে অস্থিতিশীল অবস্থা কামনা করে। তারা প্রকৃতপক্ষে দেশের শত্রু, পাকিস্তান পন্থী। করোনা ও ইউক্রেন কারনে সারা বিশ্বেই দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি অব্যহত আছে। সারা বিশ্বের সকল দেশেই মূল্যস্ফীতি অনেক বেড়ে গেছে। তারা সরকারের সমালোচনার সময় এই বাস্তবতা মুখেও আনে না। নিজেদের বিবেকের সাথে প্রতারনা করছে এই শ্রেনী। আর দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে তারা। সরকারের পতনের লক্ষ্যে মিথ্যাচার করছে এই শ্রেনী।

সেদিন দেখলাম লোড সেডিং দেওয়াতে এক ভদ্রলোক বেজায় খুশী। খুশীতে আরও কিছু সরকার বিরোধী কথা বললেন। তিনি আশা করছেন তার দল শীঘ্রই ক্ষমতায় যেতে পারবে। এই শ্রেনী দ্রব্যমূল্যের দাম যতনা বাড়ে তার থেকে বেশী প্রচার করে। ফলে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েই বিভ্রান্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। সকল মানদন্ডেই শ্রীলংকা থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক মজবুত। বাংলাদেশের ১ টাকা সমান শ্রীলংকার ৩.৮১ রুপি ও বাংলাদেশের ১ টাকা সমান পাকিস্তানের ২.৪২ রুপি। তা সত্তেও অযথাই বাংলাদেশকে শ্রীলংকার সাথে তুলনা করে নিজের বিবেকের সাথে প্রতারনা করে। সম্প্রতি ঋনখেলাপীতে ঝুঁকিপূর্ণ ২৫ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম নাই।

আবার সম্প্রতি প্রকাশিত ঋনখেলাপীতে ঝুঁকিপূর্ণ ৫০টি দেশের তালিকায়ও বাংলাদেশের নাম নাই। এই সব তথ্য বাংলাদেশের অর্থনীতির শক্ত ভিত্তিই প্রমান করে। তথাপিও এই দেশের কুলাঙ্গার শ্রেনী বাংলাদেশ শ্রীলংকা হবে এমন দিবাস্বপ্ন দেখে। কিন্তু বাস্তবতার সাথে তাদের এই স্বপ্নের কোন মিল নাই।

May be an image of text that says "31.8 0 55.6 Methedelogy ঋনখেলাপিতে ঝুকিপূর্ণ ৫০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই 55.25 25.78"

সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ

তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে দাড়াতেই পারেনি স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নাসুম আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের বিধ্বংসী বোলিয়ে ওসেস্ট ইন্ডিজের বোলাররা অসহায় হয়ে পড়ে। শেষ মেষ ৩৫ ওভার মোকাবেলা করে মাত্র ১০৮ রানে অল আউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর সেই সাথে ১০৯ রানের জয়ের টার্গেট পায় বাংলাদেশ। মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হন নাসুম আহমেদ।

ব্যাট হাতে নেমেই দৃঢ়তার সাথে এগুতে থাকে ওপেনার তামিম ইকবাল ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যক্তিগত ২০ রানে ও দলীয় ৪৮ রানের মাথায় আউট হন শান্ত। এর পর বাকি কাজটা সুন্দরভাবে শেষ করেন তামিম ও লিটন। তামিম শেষ বলে চার মেরে হাফ সেঞ্চুরী করে অপরাজিত থাকেন। অপরদিকে ২৭ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন লিটন দাস। ততক্ষনে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ১ উইকেটে ১১২/১। আর সেই সাথে ১৭৬ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় বাংলাদেশ। আর এই জয়ের ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো বাংলাদেশ। স্কোর ওয়েস্ট ইন্ডিজঃ ১০৮/১০( ৩৫ ওভার), বাংলাদেশঃ ১১২/১(২০.৪ ওভার)।

ঈদের ছুটির পর অফিস খোললেও উপস্থিতি খুবই কম

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে সরকারী-বেসরকারি অফিস খোললেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। বেসরকারি অধিকাংশ অফিসই আজ বন্ধ ছিল। মতিঝিলের রাজউক অফিস ঘুরে দেখা যায় অফিস খোললেও অধিকাংশ ডিপার্টমেন্ট তালাবদ্ধ রয়েছে। যে ডিপার্টমেন্ট গুলি খোলা রয়েছে সে গুলিতেও কোন কাজ হচ্ছে না। ব্যাংক যথারীতি খোলা আছে কিন্তু উপস্থিতি ও লেনদেন অনেক কম হয়েছে। মতিঝিল অফিস পাড়ার রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা হয়ে আছে। লোক সমাগম নাই বললেই চলে। হোটেল রেস্তুরাও বন্ধ রয়েছে, রাস্তার পাশের প্রায় সব দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।

আজও রাজধানীতে ছুটির আমেজ বিরাজ করছে। খুব কম সংখ্যক বাস রাজধানীতে চলাচল করেছে। যে পরিবহনগুলি চলাচল করেছে সেগুলিতে যাত্রী ছিল হাতে গোনা। রাজধানীর প্রায় সব মল ও সুপারমল বন্ধ রয়েছে। ঈদের ছুটিতে রাজধানী ছেড়ে যাওয়া বিপুল সংখ্যক মানুষ এখনো গ্রামেই ছুটি কাটাচ্ছে। রাজধানীজুড়ে এখনো শূন্যতা বিরাজ করছে।

রাজধানীর কোরবানির হাটগুলিতে গরু আসা শুরু হয়েছে

আর কদিন বাদেই কোরবানীর ঈদ। সেই উপলক্ষে রাজধানীর কোরবানির হাটগুলি সাজানো হয়েছে। এই হাটগুলিতে দেশের নানা অঞ্চল থেকে গরু আসে। রাজধানীর বিভিন্ন হাটে ঘুরে দেখা যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গরু আসছে। তবে কেনা বেচা খুব একটা হচ্ছে না। পাইকাররা ২/৩ গুন বেশী দাম চাচ্ছে। রাজধানীর সাহজাহানপুর হাটে দেখা যায় অল্প সংখ্যক গরু এসেছে। এই গরুগুলির অধিকাংশই এসেছে কুষ্টিয়া থেকে। বরাবরই এই হাটের অধিকাংশ গরু কুষ্টিয়া থেকেই আসে।

এই গরুটির দাম চাওয়া হয় ৩ লক্ষ টাকা

এই হাটে ৫০/৫৫ হাজার টাকা দাম হতে পারে এমন একটি গরুর দাম চাওয়া হয় ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। তবে পাইকাররা বাজারের গতিবিধি বুঝার চেষ্টা করছে। পুরোদমে বাজার শুরু হতে হয়ত আরও ২/১ দিন সময় লাগবে।রাজধানীতে অনেকে কোরবানির ২/১ দিন আগে গরু কিনে। বেশী দিন আগে কিনলে লালন পালনের ঝামেলা হয়। হয়ত ২/১ দিনের মধ্য হাটগুলিতে কোরবানির গরু-ছাগলে ভরে উঠবে। সেই সাথে বেচা কেনাও বেড়ে যাবে।

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ২ জনের মৃত্যু, সনাক্ত ২১০১ জন

অনেকে ভুলেই গেছেন যে দেশে করোনা ছিল এবং এখনো আছে। অধিকাংশ মানুষ দেশের করোনা পরিস্থিতিকে কোন গুরুত্বই দিচ্ছেন না। বাস্তবে দেশে করোনা ছিল এবং আছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমন। গত ২৪ ঘন্টায় করোনা সনাক্ত হয়েছে আরও ২১০১ জন। একই সময়ে মৃত্যুও হয়েছে আরও ২ জনের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা বিষয়ক নিয়মিত বুলেটিন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

Can we use the Coronavirus crisis as a catalyst for change? | IOT Solutions  World Congress | 31 JANUARY- 2 FEBRUARY 2023 BARCELONA
————————-ফাইল ফটো————-

সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৬৭২৭৪ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা ২৯১৪২ জন। সর্বত্রই যেন করোনা বিধিনিষেধ না মানার একটা প্রতিযোগিতা চলছে। এই অবহেলা থেকে বেড়িয়ে এসে করোনা স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। এর কোন বিকল্প নেই।

1 2 3 90