রাজধানীর কোরবানির হাটগুলিতে গরু আসা শুরু হয়েছে

আর কদিন বাদেই কোরবানীর ঈদ। সেই উপলক্ষে রাজধানীর কোরবানির হাটগুলি সাজানো হয়েছে। এই হাটগুলিতে দেশের নানা অঞ্চল থেকে গরু আসে। রাজধানীর বিভিন্ন হাটে ঘুরে দেখা যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গরু আসছে। তবে কেনা বেচা খুব একটা হচ্ছে না। পাইকাররা ২/৩ গুন বেশী দাম চাচ্ছে। রাজধানীর সাহজাহানপুর হাটে দেখা যায় অল্প সংখ্যক গরু এসেছে। এই গরুগুলির অধিকাংশই এসেছে কুষ্টিয়া থেকে। বরাবরই এই হাটের অধিকাংশ গরু কুষ্টিয়া থেকেই আসে।

এই গরুটির দাম চাওয়া হয় ৩ লক্ষ টাকা

এই হাটে ৫০/৫৫ হাজার টাকা দাম হতে পারে এমন একটি গরুর দাম চাওয়া হয় ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা। তবে পাইকাররা বাজারের গতিবিধি বুঝার চেষ্টা করছে। পুরোদমে বাজার শুরু হতে হয়ত আরও ২/১ দিন সময় লাগবে।রাজধানীতে অনেকে কোরবানির ২/১ দিন আগে গরু কিনে। বেশী দিন আগে কিনলে লালন পালনের ঝামেলা হয়। হয়ত ২/১ দিনের মধ্য হাটগুলিতে কোরবানির গরু-ছাগলে ভরে উঠবে। সেই সাথে বেচা কেনাও বেড়ে যাবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে যে সব জিনিষের দাম বাড়বে

সংসদে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের বাজেট প্রস্তাব পেস করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।প্রস্তাবিত বাজেটে আয় ও ব্যয়ের ঘাটতি দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। দেশী-বিদেশী ব্যাংক ঋন ও সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে এই ঘাটতি পুরন করা হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে যে সমস্ত জিনিষের দাম বাড়বে—–

বিদেশি পনির ও দইয়ের দাম বাড়তে পারে। নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়তে পারে।বিদেশি পোশাকের ওপর কর বাড়ায় দাম বাড়বে। দাম বাড়বে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল, অপরিশোধিত আলকাতরা, বিদেশি পাখি, প্রিন্টিং প্লেট, ক্যাশ রেজিস্টার, ফ্যান, মোটর, লাইটার, টু স্ট্রোক ও ফোর স্ট্রোক ইঞ্জিনের সিএনজি, কম্পিউটার প্রিন্টার ও টোনার, আমদানি করা মোবাইল চার্জার, কার্বনডাই-অক্সাইড, আমদানি করা পেপার কাপ, পেপার প্লেট ইত্যাদির। রিকন্ডিশন্ড ও হাইব্রিড গাড়িতে ২০০০ সিসি থেকে ৪০০০ সিসিতে সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে এ সবের দাম বাড়বে।

বাজেটে আমদানি করা লিফটের ওপর আমদানি শুল্ক ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে বাড়বে বিদেশি লিফটের দাম। আমদানি করা মটর সাইকেলের দাম বাড়বে। বিদেশ থেকে আমদানি করা ল্যাপটপের দাম বাড়বে। আমদানিকৃত পানির ফিল্টারের দাম বাড়বে। ট্রেনের প্রথম শ্রেনী ও এসি টিকেটের দাম বাড়বে। আমদানি করা মোবাইলের দাম বাড়বে।

নিত্য পন্যের বাজার নিয়ে অতিকথন

বেশ কয়েক মাস ধরেই নিত্য পন্যের মূল্য নিয়ে চলছে নানা ধরনের নেতি বাচক কথাবার্তা। বাজার মূল্যের সাথে মানুষের মুখে মুখে মূল্য শুনার অনেক তফাৎ রয়েছে। সাধারনত দেখা যায় যে জিনিষের মূল্য বাড়তে থাকে সেই জিনিষের মূল্য নিয়ে মুখে মুখে নানা গুজব চলতে থাকে। যে জিনিষের বাজার মূল্য ৫০টাকা অনেক সময় সেই জিনিষের দাম মানুষের মুখে মুখে শুনা যায় ৬০/৭০টাকা। তবে এভাবেই গুজব ছড়িয়ে পড়ে ও জিনিষের দাম বাড়তে থাকে। অনেক সময় আমরা জিনিষের দাম জিজ্ঞেস করলে দোকানদার প্রকৃত বিক্রয় মূল্য হতে কিছুটা বাড়িয়ে বলে। আর আমরা সেই দামই মুখে মুখে বলতে থাকি। যেমন দোকানদার তরমুজের কেজির দাম চাইলো ৬০ টাকা। তা শুনে আমরা প্রচার করি তরমুজের কেজি ৬০ টাকা। কিন্তু আমরা যদি একটু দরকষাকষি করি তাহলে দেখা যায় তরমুজের কেজি আসলে ৫০ টাকা। তবে অনেক সময় বাজার মূল্য নিয়েও রাজনীতি ও রাজনৈতিক কথাবার্তা চলে।

রাজধানীর মহাখালী কাঁচা বাজারে সরেজমিনে বিভিন্ন নিত্য পন্যের নিন্ম লিখিত মূল্য দেখা যায়-

১। পিয়াজ (দেশী)-৩৫ টাকা কেজি

২। রসুন(ইন্ডিয়ান)-১০০ টাকা কেজি

৩। আলো ১৮-২০ টাকা কেজি

৪। আদা-১০০ টাকা কেজি

৫। মশুর ডাল(দেশী) ১২০-১৩০ টাকা কেজি

৬। মশুর ডাল(মোটা) ১০০ টাকা কেজি

৭। ছোলা ডাল-৮৫ টাকা কেজি

৮। ছোলা-৭৫ টাকা কেজি

৯। করলা-৬০ টাকা কেজি

১০। ওচতা-৭০-৮০ টাকা কেজি

১১। ডেড়স-৬০ টাকা

১২। জালি কুমড়া-৪০-৫০ টাকা প্রতি পিছ

১৩। ছিচিংগা-৫০ টাকা কেজি

১৪। শশা-৭০-৮০ টাকা কেজি

১৫। লম্বা বেগুন-৭০-৮০ টাকা কেজি

১৬। কাঁচা আম-১০০-১৫০ টাকা কেজি

১৭। তরমুজ-৫০ টাকা কেজি

১৮। গ্রীন আপেল-২২০ টাকা কেজি

১৯। সবুজ আঙ্গুর-২০০-২২০ টাকা কেজি

২০। চাপা কলা ২০ টাকা হালি

বিকল্প শ্রমবাজারে যুক্ত হচ্ছে ৬টি নতুন দেশ

বাংলাদেশের শ্রমবাজারে যুক্ত হচ্ছে ইউরোপ ও এশিয়ার ৬টি নতুন দেশ। দেশগুলি হল চীন, কম্বোডিয়া, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সিশেলসে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে এ বিষয়টি জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। আর এ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি উপরোক্ত দেশসমূহে দ্রুত কর্মী পাঠানোর সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছে। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপরোক্ত বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বৈদেশিক শ্রম বাজার যাতে সংকুচিত না হয় সে বিষয়ে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের হিসাবে করোনা মহামারী শুরুর পর থেকে গত ৪ মাসে প্রায় ৮০ হাজার কর্মী দেশে ফিরে এসেছেন অথবা তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আবার বিভিন্ন দেশ থেকে ছুটিতে দেশে এসে আর কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারছেন না আরও প্রায় ৩ লক্ষ কর্মী। এমতাবস্থায় সরকার বিকল্প শ্রম বাজার খুজে বের করার তাগিদ দিচ্ছে মন্ত্রনালয়কে। সংসদীয় কমিটির সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ, মোঃ আলী আশরাফ, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, আয়েশা ফেরদাউস এবং পংকজ নাথ।

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রনোদনাসহ নানা প্যাকেজ ঘোষনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী

গনভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাসের কারনে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আপদকালীন নানা ধরনের প্রনোদনা ঘোষনা করেছেন। করোনা ভাইরাসের কারনে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার আর্থিক প্রনোদনা ঘোষনা। ৩০ হাজার কোটি টাকার শিল্প ঋন দেওয়া হবে ৪.৫% সুদে। এসএমই খাতে ২০ হাজার কোটি টাকা ঋন দেওয়া হবে ৪% সুদে। সারা দেশে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টীর মাঝে ১০ টাকা কেজি ধরে চাল দেওয়া হবে। লক্ষভ্রষ্ট জনগনের মধ্য নগদ অর্থ বিতরন করা হবে। সরকারী খরচে বিদেশ ভ্রমন নিরুৎসাহিত করা হবে। ইডিএফ ফান্ডের সুদের হার করা হয়েছে ২%। প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের কাছাকাছিই থাকবে।

ভারতে কর্মীরা মাথায় হেলমেট পরে পিঁয়াজ বিক্রি করছে জনরোষ থেকে বাঁচতে

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকমঃ

ভারতে জনরোষ থেকে বাঁচতে হেলমেট পরে পিঁয়াজ বিক্রি করছে সরকারী সংস্থার কর্মীরা। এ বছর ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পরপর বন্যা হওয়াতে পিঁয়াজ উৎপাদন ব্যপকভাবে কম হয়। যার ফলশ্রুতিতে একপর্যায়ে ভারত পিঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। আর বাংলাদেশ বহু বছর ধরেই সিংহভাগ পিঁয়াজই আমদানী করত ভারত থেকে। ভারত হঠাৎ পিঁয়াজ রপ্তানী বন্ধ করে দেওয়ায় বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। চাহিদার তুলনায় পাইকারী বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় হুর হুর করে পিঁয়াজের দাম বাড়তে থাকে বাংলাদেশে। যা শেষ পর্যন্ত আড়াই শ টাকা কেজিতে পৌছে।

অপরদিকে উৎপাদন ও চাহিদার তুলনায় কম থাকায় ভারতেও ১০০ রুপি কেজি দরে পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। যা বাংলাদেশী টাকায় ১২০ টাকার ওপরে। এই অবস্থায় ভারত সরকার দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সররকারী সংস্থার মাধ্যমে ৩৫ রুপি কেজি দরে পিঁয়াজ বিক্রি করছে। বিহারের পাটনাতে এমনটি দেখা গেছে। কিন্তু এই বিতরন ব্যবস্থা চাহিদার তুলনায় কম হওয়ায় নানা রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে সেখানে। পিঁয়াজ কেনার ভিড় সামলাতে ব্যস্ত রোহিত কুমার নামে সরকারি কর্মী বলেন, ‘প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো সত্ত্বেও কোনও নিরাপত্তারক্ষীর ব্যবস্থা করা হয়নি। তাই নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা হেলমেট পরে কাজ করছি। গতকাল আরা জেলায় পিঁয়াজ বিক্রির আচমকা ক্ষেপে ওঠে স্থানীয় জনতা। তারপর বিক্রেতাদের লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ে। এর ফলে অনেকে জখম হয়েছে। কারও কারও মাথাও ফেটেছে। তারপরও কোনও নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না আমাদের। বাধ্য হয়ে হেলমেট পরেছি।’

আর পিঁয়াজ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারও পড়ে জনরোষে। চারদিক থেকে কঠোর সমালোচনা হতে থাকে যা এখনো অব্যহত আছে। সরকার পিঁয়াজ আমদানীর জন্য নতুন দেশ খোঁজতে থাকে। এমনকি এরই মধ্য পাকিস্তান থেকে কার্গো বিমানে করে কিছু পিঁয়াজ এনে  টিসিবির মাধ্যমে বিতরন করা হয়েছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। কিন্তু তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। ইতিমধ্য তুরস্কসহ অন্যান্য কিছু দেশ থেকে পিঁয়াজ আমদানীর জন্য এলসি খোলা হয়েছে। জাহাজে করে ঐ সমস্ত দেশ থেকে পিঁয়াজ আসতে ৪০/৫০ দিন সময় লাগে। ছোট ছোট এলসির কিছু পিঁয়াজ দেশে এসেছে এবং তা ইতিমধ্য পাইকারীভাবে বিক্রিও হয়ে গেছে। তবে ওই সমস্ত দেশ থেকে পিঁয়াজ আমদানী করলে দামও বেশী পড়ে। আবার পিঁয়াজ দ্রুত পচনশীল পন্য হওয়ায় এর ঝুকিও বেশী। সব মিলিয়ে ভারত থেকে পিঁয়াজ আমদানীতে যে সমস্ত সুবিদাগুলি পাওয়া যেতো অন্যান্য দেশ থেকে আমদানী করলে তা পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে যতদিন ভারত থেকে পিঁয়াজ আমদানী বন্ধ থাকবে ততদিন এর দাম খুব বেশী কমবে না বলেই মনে হয়।

 

বিনিয়োগকারীদের তুষ্ট করতে বিনিয়োগ সম্মেলনে ভ্যালি ড্যান্স নিয়ে পাকিস্তানে সমালোচনার ঝড়

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকমঃ

পাকিস্তানের অর্থনীতিতে চরম মন্দাভাব চলছে। তাই বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে নানা রকম প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি। তারই ধারাবাহিকতায় আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কয়েকদিন আগে বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করে পাকিস্তান। পাকিস্তানের শারহাদ চেন্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এই সম্মেলনের আয়োজক। সম্মেলনে পাকিস্তানের সুন্দরী নর্তকীদের দিয়ে লাস্যময়ী ভ্যালি ড্যান্সের আয়োজন করা হয়।

বাকুতে বিনিয়োগ সম্মেলনে এই লাস্যময়ী ভ্যালি ড্যান্স আয়োজন নিয়ে পাকিস্তানে এমরান সরকারের বিরুদ্ধে বইছে কড়া সমালোচনার ঝড়। পাকিস্তানের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এই বিনিয়োগ সম্মেলনে এই ভ্যালি ড্যান্স আয়োজন মেনে নিতে পারছেন না। বাস্তবে পাকিস্তানের অর্থনীতিতে এখন স্মরনকালের মধ্য চরম মন্দাভাব চলছে। যে আশা ও স্বপ্ন দেখিয়ে ইমরান খান ভোটে জিতেছিলেন তা বাস্তবে তিনি করে দেখাতে পারছেন না।

গাড়িটার দাম ৬০ কোটি টাকা মাত্র! কিন্তু কেন?

অনলাইন ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

ফরাসি গাড়ি নির্মাতা বুগাত্তির নতুন গাড়ি বুগাত্তি ডিভো ঘিরে উৎসাহ এখন তুঙ্গে। আসুন জেনে নেই এর ফিচারসমূহ।

* জ ড্রপিং বুগাত্তি গাড়িটিতে রয়েছে দেড় হাজার হর্স পাওয়ারের ইঞ্জিন। এই মডেলের গাড়িতে ঘণ্টায় প্রায় ৪২০ কিমি পর্যন্ত গতি তোলা সম্ভব হবে। এই গাড়ির গতি শূন্য থেকে ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় তুলতে সময় লাগবে মাত্র ২.৪ সেকেন্ড।

* বুগাত্তি ডিভোর পিছনে রয়েছে এক দশমিক আট মিটার হাইড্রোলিক উইং। ৪৫৬ কিলোগ্রাম ডাউনফোর্স তৈরি করে ডিভো যা চিরোনের থেকেও ৮৯ কিলোগ্রাম বেশি। বেশি ডাউনফোর্স মানেই ল্যাটারাল গ্রিপও একটু বেশি।  ১.৬ জিএস অব ল্যাটারাল গ্রিপ রয়েছে গাড়িটির।

* গাড়িটিতে কার্বন ফাইবার ব্যবহার করার কারণে বুগাত্তির এই মডেলের গাড়ির ওজন কিছুটা কমেছে। ১৯৪১ কিলোগ্রামের মতো ওজন গাড়িটির।

* ফ্রেঞ্চ রেসিং ড্রাইভার অ্যালবার্তো ডিভোর নামানুসারে এই গাড়িটির নামকরণ করা হয়েছে ডিভো।

* সারা বিশ্বের জন্য মাত্র ৪০টি গাড়ি তৈরি করা হয়েছে এই মডেলের।

সারাদেশ থেকে ঢাকার হাটগুলিতে আসছে হাজার হাজার কুরবানীর পশু

নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

ঢাকার হাটগুলিতে হাজার হাজার কুরবানীর পশু আসছে বিভিন্ন জেলা থেকে। গাবতলী-আমিন বাজার দিয়ে গরু বোঝাই শত শত ট্রাক রাজধানীতে আসতে দেখা যায়। রাজধানীতে বেশীর ভাগ গরু আসে জামালপুর, সেরপুর, ময়মনসিং, পাবনা, কুষ্টিয়া প্রভৃতি জেলা থেকে। রাজধানীর সাহজাহানপুর গরুর হাট সরেজমিনে দেখা যায় এই হাটের অধিকাংশ গরু এসেছে কুষ্টিয়া থেকে। তারপরই রয়েছে জামালপুর জেলার অবস্থান।

এখনো তেমন বেচাকেনা হচ্ছে না। তবে হাটগুলিতে গরু রাখার আর স্থান মিলছে না। বিধায় আশ পাশের অলিগলিতেও গরু রাখা হয়েছে। আগামীকাল থেকে ঢাকার গরুর বাজার পুরাপুরি জমে উঠবে বলে পাইকাররা জানিয়েছেন। ছোট সাইজের গরুর দাম তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশী। কারন স্বল্প আয়ের মানুষের স্বাদ ও স্বাধ্য অনুযায়ী ছোট গরুই কিনতে হয়। সাজাহানপুর হাটে গরুর তুলনায় ক্রেতা খুব কমই দেখা গেছে।

২০১৮-১৯ অর্থ বছরের শুরুতেই রপ্তানী আয় ও রেমিটেন্স বৃদ্ধি

নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

চলতি অর্থ বছরের শুরুতেই রপ্তানী আয় ও রেমিটেন্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের জুলাই মাসের রপ্তানী আয় থেকে চলতি অর্থ বছরের জুলাই মাসে রপ্তানী আয় বেড়েছে প্রায় ২০%। অপরদিকে তৈরী পোষাক খাতে রপ্তানী আয় বেড়েছে ২২%।

গত কয়েক বছরে তৈরী পোষাক কারখানার মালিকরা কারখানার আধুনিকিকরনে প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছে। কারখানার কর্ম পরিবেশও অনেক ভাল ও নিরাপদ হয়েছে। প্রায় ৮০% কারখানা উন্নত কর্মপরিবেশের আওতায় চলে এসেছে। ফলে বায়ারও তাতে খুশী হয়ে আরো বেশী বেশী কার্যাদেশ দিচ্ছে। অর্থ বছরের শুরুটা যেমন ভাল হয়েছে, তমনি শেষটাও ভাল হবে বলে সংশ্লিষ্ঠ মহল আশা প্রকাশ করছে।

বাংলাদেশ বিমানের বহরে আগস্টে যুক্ত হচ্ছে বোয়িং ৭৮৭ ড্রীম লাইনার ‘আকাশবীণা’

অনলাইন ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ব ডটকম

বাংলাদেশ বিমানের বহরে খুব শীঘ্রই যুক্ত হতে যাচ্ছে বোয়িং কোম্পানির তৈরী বোয়িং ৭৮৭ নামের এই অত্যাধুনিক যাত্রীবাহী বিমানটি। এই বিমানটির নাম দেওয়া হয়েছে আকাশবীণা। মঙ্গলবার হ্যাম্পশায়ারের ফার্নবোরো বিমানবন্দরে হয়ে গেল এর এয়ার শো। বিখ্যাত বিমান নির্মাতা কোম্পানী বোয়িং বাংলাদেশের জন্য তৈরী এই ‘আকাশবীণা’কেই বেছে নিল প্রদর্শন করার জন্য।

গতকাল আকাশে নিচু দিয়ে উড়ে গিয়ে দর্শকদের মাথার ওপর চক্কর দেয় ‘আকাশবীণা’। কয়েকটি চক্কর দিয়ে আবার নেমে আসে রানওয়েতে। ফার্নবোরোর দ্বিবার্ষিক এই এয়ারশো এভিয়েশন খাতের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বোয়িং, এয়ারবাস, সাব, মিৎসুবিসিসহ বিভিন্ন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তাদের তৈরি উড়োজাহাজ, হেলিকপ্টার ও সামরিক আকাশযান এখানে প্রদর্শন করছে।

বাংলাদেশের জন্য তৈরী ‘আকাশবীণা’কে আকাশে ডিসপ্লে করার জন্য বেছে নেয় বোয়িং কোম্পানী। এর ফলে এই বিমানটির প্রচারনা হয়ে গেল। ফলে এর মধ্য দিয়ে বিমানের মার্কেটিং হয়ে গেল। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০শে আগস্ট আকাশবীণাকে বিমানের কাছে হস্তান্তর করবে বোয়িং। বিমানটি ৪৩ হাজার ফুট ওপরে থাকা অবস্থায়ও ওয়াইফাই, বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেল ও টেলিফোনে কথা বলার সুযোগ পাওয়া যাবে। তবে আকাশবীণার আসন সংখ্যা ইকোনোমিক ক্লাশে ২৫০টি আসন ও বিজনেস ক্লাশে ২১টি আরামদায়ক ফ্ল্যাটবেড আসন রয়েছে। এতে ভ্রমন হবে অত্যান্ত আরামদায়ক ও অপেক্ষাকৃত নিরাপদ।

প্রবাসীদের পাঠানো অর্থে ভ্যাট-ট্যাক্স বসানোর খবরটি একটি গুজব

নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

সংসদে ২০১৮-১৯ সালের বাজেট উত্থাপন করার পর থেকে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর ভ্যাট-ট্যাক্স আরোপ করা হয়েছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এর পরিপেক্ষিতে অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যপক সমালোচনা ও ভ্যাঙ্গ চলতে থাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর কোন রকম ভ্যাট-ট্যাক্স বসানো হয়নি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকেও জানানো হয় প্রস্তাবিত বাজেটে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর কোন রকম ভ্যাট-ট্যাক্স বসানো হয়নি। জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্যই এমন গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে এনবিআর থেকে জানানো হয়। এনবিআর ধারনা করছে হুন্ডি ব্যবসায়ীরা এ গুজব ছড়িয়ে থাকতে পারে। এদিকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমও জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর কোন রকম ভ্যাট-ট্যাক্স আরোপ কর হয়নি।

সরকার মিয়ানমার থেকে এক লক্ষ টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে

নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

সরকার মায়ানমার থেকে এক্ষ টন আতপ চাল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শনিবার মায়ানমার থেকে ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসে চাল রপ্তানীর চুক্তি করতে। আজ খাদ্য মন্ত্রনালয়ে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এ কথা জানান।

গতকাল রবিবার প্রতিনিধি দলটি খদ্য মন্ত্রনালয়ে কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করে। এই বৈঠকে এক লক্ষ টন আতপ চাল আমদানির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। প্রতিটন চালের আমদানি মূল্য পড়বে ৪৪২ ডলার।

সরকার ১৬ হাজার চালের মিল মালিককে কালো তালিকাভুক্ত করেছে : খাদ্যমন্ত্রী

চাল মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরীর মাধ্যমে চালের দাম বাড়ানোর অপরাদে ষোল হাজার মিল মালিককে চিহ্নিত করে কালতালিকাভুক্ত করেছে সরকার। আজ চাল আমদানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। তিন বছরের জন্য তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। কালো তালিকাভুক্ত কোন মিলারের কাছ থেকে সরকার চাল ক্রয় করবে না।

খাদ্যমন্ত্রী জানান, হাওড় অঞ্চলে অকাল বন্যা দেখা দেওয়ার পর থেকেই অসাধু মিল মালিকরা চাল মজুদ করতে থাকে। যার ফলশ্রুতিতে চালের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। বাজারে চালের মূল্য বৃদ্ধির একমাত্র কারণও অবৈধ মজুদ। তিনি বলেন, চালের আমদানি শুল্ক কমানোর পর ইতোমধ্যে ভারত থেকে বেসরকারি উদ্যোগে ৮৪ হাজার টন চাল এসে পৌঁছেছে। ভিয়েতনাম থেকেও ২০ হাজার টন চাল চট্টগ্রাম বহির্নোঙরে এসে পৌঁছেছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে আরও পর্যাপ্ত পরিমান চাল সরকারী ও বেসরকারীভাবে আমদানী প্রক্রিয়াধীন আছে।