দেশের সমূদ্র বন্দর সমূহে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত

মধ্য-বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চারনশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের সমূদ্র বন্দরসমূহ ও উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে। আর সেই কারনে চট্রগ্রাম, কক্সবাজার, মঙ্গলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দরসমূহকে ০৩( তিন) পুনঃ ০৩(তিন) নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সাথে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরন না করতে বলা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার জন্য এই পূর্ভাবাস প্রদান করা হয়েছে। আবহাওয়া পরিচালকের পক্ষে আবহাওয়াবিদ মোঃ শাহিনুল ইসলাম এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, দেশের বন্দর সমূহে ৩ নং সতর্কতা সংকেত

উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি পশ্চিমদিকে সরে গিয়ে বর্তমানে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকুলীয় এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌশমী বায়ু সক্রিয় রয়েছে এবং গভীর সঞ্চারনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকুলীয় এলাকা সমূদ্র বন্দর সমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

চট্রগ্রাম, কক্সবাজার, মঙ্গলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দর সমূহেকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার সমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকুলের কাছকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সাথে গভীর সমূদ্রে বিচরণ করতে বারণ করা হয়েছে। পরিচালকের পক্ষ থেকে আবহাওয়াবিদ মোঃ আরিফ হোসেন আবহাওয়ার পূর্ভাবাসের এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।

দেশের সমূদ্র বন্দর সমূহে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত

সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকুলীয় এলাকা ও সমূদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়া ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই জন্য চট্রগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকুলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে আজ ( ২২শে জুলাই) বিকাল ০৪টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্য রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল ও চট্রগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। আবহাওয়া অফিসের পরিচালকের পক্ষে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উপরোক্ত সতর্কতা বার্তা দেওয়া হয়।

দেশের সমূদ্র বন্দর সমূহে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত

আবহাওয়ার এক সতর্ক বার্তায় কক্সবাজার, চট্রগ্রাম, মংলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দর সমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গপোসাগর ও তৎ সংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরী হচ্ছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গপোসাগর, বাংলাদেশের উপকুলীয় এলাকা ও বন্দর সমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকাসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সাথে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরন করতে বারন করা হয়েছে। আবহাওয়ার এই পূর্বাভাস বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার জন্য কার্যকর থাকবে।

এর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্রগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক স্থানে অস্থায়ী দমকা ও ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টিপাত/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণও হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক ঘোষনায় এই সতর্কতা বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আম্পানের তান্ডবে ২৫ জন নিহত

সুপার সাইক্লোন আম্পানের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়েছে দক্ষিনপশ্চিম বঙ্গ। এর তান্ডবে ৯ জেলায় ২৫ জন মৃত্যুবরন করেছে গাছ চাপায় কিংবা ঘরের নীচে চাপা পড়ে। উপকুল থেকে অনেক দূরে হলে যশোরে এই ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিপুল পরিমানে। শুধু যশোরেই মৃত্যুবরন করেছে ১২ জন নারীপুরুষ। শতশত বাড়িঘর ভেঙ্গে গেছে এখানে। সাতক্ষীরা, খুলনা ও মোংলায় বাঁধ ভেঙ্গে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ফসলের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ত্রানমন্ত্রী জানিয়েছেন ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ১১শ কোটি টাকা। ঝড়ের কারনে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে দক্ষিনপশ্চিম বঙ্গের বিভিন্ন স্থানে।

এদিকে আজ থেকেই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্য ত্রান বিতরন শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই ব্যপারে প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রাখছেন। আম্পানের তান্ডবে পশিমবঙ্গে ৭২ জনের প্রানহানির খবর দিয়েছে ভারতের বিভিন্ন পত্রিকা। শুধু কলিকাতায় ঝড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান সরজমিনে দেখে যেতে মমতা ব্যানার্‌জী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মুদিকে আহবান জানিয়েছেন।

উপকুলে ব্যপক তান্ডব চালিয়ে আমপান অগ্রসর হচ্ছে স্থলভাগের দিকে

সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সুন্দরবন উপকুল দিয়ে প্রবেশ করেছে সুপার সাইক্লোন আমপান। এর কেন্দ্র রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে এবং এর বেশীরভাগ অংশই পশ্চিমবঙ্গ উপকুলে তান্ডব চালিয়ে অগ্রসর হচ্ছে উত্তরদিকে। এই রাজ্যে ঝড়ের আঘাতে শত শত গাছপালা ও বাড়িঘর ভেঙ্গে পড়েছে। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ৩ জন মৃত্যুর খবর দিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা। মোংলা উপকুলে এর প্রভাবে ৭ থেকে ৯ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছে। এবং এই জলোচ্ছ্বাস ১২/১৩ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন। আমপানের ব্যাস প্রায় ৪০০ কিলোমিটার এবং এর বেশীর ভাগ অংশই পশ্চিমভঙ্গের ওপর দিয়ে চলে যাবে। এর ফলে বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কম হবে বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন।

ছবিঃ আনন্দ বাজার পত্রিকা

সুন্দরবন, সাতক্ষীরা ও খুলনা দিয়ে এই ঝড় বাংলাদেশে প্রবেশ করে আবার কলকাতারদিকে সরে যাবে বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন। উপকুলে্র পশ্চিমবঙ্গের অংশে প্রবেশের সময় এর গতিবেগ ছিল ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার। বাংলাদেশের সুন্দরবন উপকুলে এই ঝড় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার গতিতে আঘাত আনে। আর কয়েক ঘন্টার মধ্য এই ঝড় বাংলাদেশ অংশ থেকে ভারতের পশ্চিমভঙ্গে সরে যাবে। এই ঝড়ের প্রভাবে খুলনা, সুন্দরবন ও সাতক্ষীরা এলাকার ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনো পাওয়া যায়নি।

ধেয়ে আসছে ঘুর্নিঝড় আমপান

অতি প্রবল সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় আমপান ধেয়ে আসছে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ উপকুলেরদিকে। আজ সন্ধ্যায় এটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ উপকুলে প্রচন্ড গতিতে আঘাত আনবে বলে বাংলাদেশ ও ভারতের আবহাওয়া অফিস সূত্র থেকে জানা গেছে। আজ দুপুর ১২টায় ঘূর্ণিঝড় আমপান মোংলা সমূদ্র বন্দর থেকে ২৭০ কিলোমিটার, পায়রা সমূদ্র বন্দর থেকে ২৯০ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমূদ্র বন্দর থেকে ৪৭০ কিলোমিটার ও চট্রগ্রাম সমূদ্র বন্দর থেকে ৪৮০ কিলোমিটার দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটির কেন্দ্রের বেশীর ভাগ অংশ বাংলাদেশ উপকুলেরদিকে রয়েছে। আমপানের প্রভাবে উপকুলে ১০ থেকে ১৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বা্স দেখা দিবে বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়ছেন। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৮৫ কিলোমিটারের মধ্য বাতাসের সর্বোচ্চ গতবেগ ২০০ থেকে ২২০ কিলোমিটারের মধ্য উঠানামা করছে। এটির আঘাতে উপকুলীয় এলাকায় ব্যপক ক্ষয়ক্ষতির আশংস্কা করা হচ্ছে।

মোংলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। অপরদিকে চট্রগ্রাম ও কক্সবাজার সমূদ্র বন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আমপানের প্রভাবে দেশের নদী সমূহের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। উপকুল এলাকার মানুষজনকে নিকটবর্তী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্য প্রায় সড়ে ১৮ লক্ষ মানুষ ১৩২৪১টি আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সার্বক্ষণিক ঘূর্ণিঝড়ের খবরাখবর রাখছেন।

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান সিডরের থেকে বেশী শক্তি নিয়ে উপকুলেরদিকে এগিয়ে আসছে

পশ্চিমমধ্য বঙ্গপোসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুপার সাইক্লোন ‘আম্ফান’ উত্তর-উত্তরপূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ দুপুর ১২টায়( ১৯-০৫-২০২০) চট্রগ্রাম সমূদ্র বন্দর থেকে ৮১০ কিলোমিটার দক্ষিনপশ্চিমে, কক্সবাজার সমূদ্র বন্দর থেকে ৭৬৫ কিলোমিটার দক্ষিনপশ্চিমে, মোংলা সমূদ্র বন্দর থেকে ৬৯৫ কিলোমিটার দক্ষিন-দক্ষিনপশ্চিমে এবং পায়রা সমূদ্র বন্দর থেকে ৬৯০ কিলোমিটার দক্ষিন-দক্ষিনপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্রগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে আজ শেষ রাত থেকে বুধবার বিকালের মধ্য উপকুল অতিক্রম করতে পারে।

সুপার সাইক্লোন আম্ফানের ৯০ কিলোমিটারের মধ্য বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার যা দমকা হাওয়ায় ২৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রভাবে সাগর খুবই বিক্ষুদ্ধ রয়েছে। আম্ফানের প্রভাবে সমূদ্র উপকুলে ৫ থেকে ১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস দেখা দিতে পারে। সুপার সাইক্লোন ঘূর্ণিঝড় সিডর থেকেও বেশী শক্তি নিয়ে উপকুলে আঘাত আনবে বলে আবহাওয়াবিদরা পূর্বাভাস দিয়েছেন। চট্রগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। চট্রগ্রাম বন্দরে অবস্থানরত জাহাজ সমূহকে নিরাপদ দুরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর প্রভাবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

মোংলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর পুনঃ ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। চট্রগ্রাম ও কক্সবাজার সমূদ্র বন্দর সমূহকে ৬ নম্বর পুনঃ ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক মাইকিং করে উপকুলীয় জনসাধারনকে সতর্ক করে যাচ্ছে। উপকুলের মানুষজনকে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে জন্ম নেওয়া মেয়েদের নাম রাখা হয়েছে বুলবুলি

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকমঃ

ঘূর্ণিঝড় থেমে গেছে, কিন্তু করে গেছে কিছু ধ্বংস এবং সেই সাথে করেছে কিছু সৃষ্টিও। ঘূর্নিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া এক নারী কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সময় জন্ম নেওয়ায় মেয়েটির নাম রাখা হয়েছে বুলবুলি। মোংলা উপজেলার মিঠাখালী এটিসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্রে শনিবার রাত ১টার সময় কন্যা সন্তানের জন্ম দেন মা হনুফা। মা ও শিশুর দেখভাল করছেন একজন প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা।

মোংলার সহকারী কমিশনার(ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রাশেদুল হাসান আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে মা ও মেয়ের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। হনুফা বেগম ও মেয়ে বুলবুলি দুজনেই সুস্থ্য আছেন। জেলা প্রশাসন থেকে প্রসূতিকে ২০ হাজার টাকা দেওয়া হবে জানানো হয়েছে।

অপরদিকে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আরেকটি শিশুর জন্ম হয়েছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলির সময়। তাই তার নামও রাখা হয়েছে বুলবুলি। তবে এই মেয়েটি জন্ম নিয়েছে শনিবার দুপুরে। মা ও মেয়ে দুজনেই সুস্থ্য আছেন বলে জানা গেছে।

ধেয়ে আসছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকমঃ

ধেয়ে আসছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ যার প্রভাবে সাগর এখন উত্তাল। আর জারি করা হয়েছে ঝড়ের সর্বোচ্চ মহাবিপদ সংকেত ‘১০’। দেশের উপকুলে বিকাল ৫টায় আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিপদের বিষয় হলো এই ঝড় উপকুলেরদিকে যতই এগিয়ে আসছে ততই এর গতি বেগ বেড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মোংলা ও পায়রা বন্দরে আঘাত করার সময় এর গতিবেগ ১৫০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে যেতে পারে। আরো বিপদের বিষয় হলো এই ঝড়টি যখন উপকুলে আঘাত হানবে তখন সাগরে জোয়ার চলবে। ফলে এর তীব্রতা আরো বেড়ে যাবে এবং স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে ৭/৮ ফুট বেশী উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস দেখা দিবে উপকুলে।

ঝড়টি পায়রা ও মোংলা বন্দর থেকে মাত্র ১৫০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। এটি উত্তর-পশ্চিমদিকে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে ঝড়টির প্রভাবে।

উপকুলীয় জেলা সমূহের জানমাল রক্ষার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ব্যপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যই উপকূলবর্তী এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া হচ্ছে। বাড়ি ঘর ছেড়ে অনিচ্ছুকদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিতে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে আক্রান্ত হবার সম্ভাব্য স্থান সমূহ থেকে। বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থাও আটঘাট বেধে নেমে পড়েছে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাচাতে।

ইতিমধ্য শনিবার ও সোমাবের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডেরও আজকের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এই ঝড়ের প্রভাবে সারাদেশে গতকাল থেকেই হালকা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর প্রভাবে আরো কয়েকদিন বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস সূত্র থেকে জানানো হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানেও ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত হানবে। এদিকে এই ঝড় মোকাবেলার সমস্ত প্রস্তিতি নেওয়া হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন।

হাগিবিসে লন্ডবন্ড জাপান, নিহত ৭৪

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকমঃ

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হাগিবিসে বিধ্বস্ত জাপান। এর প্রভাবে এ পর্যন্ত নিহত ৭৪ জন। অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। বহু বাড়িঘর ও স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশ জুড়ে চলছে উদ্ধার তৎপড়তা। গত শনিবার স্থানীয় সময় সকালে এই ঝড় আঘাত হানে জাপান উপকুলে। এই সময় ২০/২৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাস সৃষ্টি হয়। এর প্রভাবে অনেক স্থানে ভূমি ধ্বস হয়। অনেক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। জাপানের সেনাবাহিনী ৪দিন ধরে উদ্ধারকাজ চালিয়ে আসছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ব্যপক বলে জাপানি সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।

এই ঘূর্ণিঝড়টির আঘাতের মূল কেন্দ্র ছিল টুকিও ও এর সন্নিহীত এলাকাসমূহ। এর প্রভাবে অনেক স্থানে ৩ তলা বাড়ি পর্যন্ত পানিতে ডুবে যায়। ১৯৫৮ সালের পর এটি সর্বাধিক শক্তিশালী ঘূর্ণ‌ঝড় বলে রেকর্ড করা হয়েছে।

বাহামা দ্বীপপুঞ্জে তান্ডব চালিয়ে ঘূর্ণি ঝড় ডোরিয়ান অগ্রসর হচ্ছে ফ্লোরিডারদিকে

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকমঃ

অতি শক্তিশালী ঘূর্ণি ঝড় ডোরিয়ান বাহামা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত এনে ফ্লোরিডারদিকে অগ্রসর হচ্ছে। বাহামায় তান্ডব চালানোর সময় এর মাত্রা ছিল ৫। এই মাত্রার ঝড়কে প্রাননাশী ঘূর্ণি ঝড় বলা হয়। এর আঘাতে বাহামায় ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন হয়। এই সময়ে ঘূর্ণি ঝড়টি উপকুলে ১৯ থেকে ২৩ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাস সৃষ্টি করে আঘাত হানে। ঘূর্ণি ঝড়ের আঘাতে বাহামায় অনেক দালান কোঠার ছাদ ভেঙ্গে ভেসে গেছে। দ্বীপটির একতলা বাড়িগুলি পানিতে ডুবে গেছে। যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। রেকর্ড রাখা শুরু থেকে দেখা যায় আটলান্টিক মহাসাগরে সৃষ্ট ২য় সর্বোচ্চ মাত্রার ঘূর্ণি ঝড় এটি।

বাহামায় আঘাতের সময় ঘূর্ণি ঝড় ডোরিয়ানের কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ছিল ২৯০ কিলোমিটার যা ঝড়ো হাওয়াসহ ৩৫৪ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। স্থানীয় সময় সোমবার রাত হতে মঙ্গলবার রাতের মধ্য ডোরিয়ান ফ্লোরিডায় আঘাত আনতে পারে বলে জানিয়েছে ফ্লোরিডার আবহাওয়া দপ্তর। ফ্লোরিডায় ইতিমধ্যই জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছে। এর কারনে ট্রাম্পের নির্ধারিত সফরসূচীও বাতিল করা হয়েছে।

পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কুয়েতে

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকমঃ

সম্প্রতি পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপ মাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতে। গত ৮ই জুন কুয়েতে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এদিন ছায়ার সময় ৫২.২ ডিগ্রী ও রোদের সময় ৬৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় কুয়েতে। আর একই সময়ে সৌদি আরবের আল-মাজমা শহরে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৫৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এই সময় কুয়েতে হিট স্ট্রোকে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবরও জানা যায় আমিরাত ভিত্তিক গালফ নিউজ সূত্র থেকে। এর আগে ২০১৩ সালের ১০ই জুলাই পৃথিবীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৫৬.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়।

মধ্যপ্রাচ্যে জুড়ে বিগত ৫০ বছরে আবহাওয়ার ব্যপক পরিবর্তন হয়েছে। দেশগুলিতে এখন চাষাবাদসহ ব্যপক গাছপালাও রোপন হচ্ছে। মরুভূমি বেষ্টিত এই দেশগুলির অনেক স্থানেই এখন সবুজের সমারোহ দেখা যায়। তথাপি সাম্প্রতিক এই উচ্চ তাপমাত্রা দেশগুলিকে আবার নতুন করে ভাবার সুযোগ করে দিয়েছে। কয়েক মাস পূর্বে কুয়েত ও সৌদি আরবের একটি শহরে ব্যপক বন্যাও দেখা দিয়েছিল। তাতে জনজীবন স্থবির ও জানমালের ব্যপক ক্ষতি হয়েছিল।

অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টিতে জনজীবনে ফিরে এসেছে স্বস্তি

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

অবশেষে দেখা মিললো বহুল প্রতীক্ষিত বৃষ্টির। সাথে ফিরে এসেছে জনজীবনে স্বস্তি। প্রায় ২০/২৫ দিন ধরে তীব্র গরমে দেশবাসী চরম অস্বস্তিতে ছিল। অনেকদিন ধরেই সারা দেশেই তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪০ ডিগ্রীর কাছাকাছি। ভ্যপসা গরম আর তীব্র তাপে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। গরমে জরুরী কাজ ছাড়া বাহিরে যাওয়া মানুষ ছেড়েই দিয়েছিল। তীব্র গরমে ইরি ধান কাটার এই মৌশমে দিনমুজুরদের কষ্টের সীমা ছিল না, রোজাদারদের প্রানও প্রায় উষ্টাগত ছিল। ঈদ সামনে রেখে কাষ্টমারের সংখ্যাও সাংঘাতিকভাবে কমে গিয়েছিল। প্রচন্ড এই গরমে ও তাপদাহে মানুষের অস্বস্তির সীমা ছিল না। মাঝখানে ঘূর্নিঝড় ফনীর প্রভাবে ২/১ দিন তাপমাত্রা একটু কম ছিল।

অবশেষে সোমবার রাত ১০টায় নেমে আসে বহুল কাংঙ্খিত বৃষ্টি। সেই সাথে নেমে যায় তাপমাত্রা, কেটে যায় ভ্যপসা গরম আর জনজীবনে নেমে আসে প্রশান্তি। মঙ্গলবার মানুষ চলাচল করছে সাচ্ছন্দে। আর সেই সাথে ফিরে এসেছে জনজীবনে স্বাভাবিকতা, কমে এসেছে রোজাদারদের কষ্ট।

অবশেষে ফনীর প্রভাবে ঢাকায় বৃষ্টি, জনজীবনে স্বস্তি

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

ঘূর্ণিঝড় ফনীর প্রভাবে  শুক্রবার সকাল ১০টা থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে ঢাকায়। এই বৃষ্টির ফলে প্রচন্ড তাপ ও ভ্যপসা গরম দূর হয়েছে, জনজীবনে নেমে এসেছে স্বস্তি। গত কয়েকদিনের অত্যাধিক গরমে অতিষ্ট রাজধানী বাসী আজ স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারছে। ইতিমধ্য ঘূর্ণিঝড় ফনী ২০০ কিলোমিটার বেগে ওড়িষা উপকুলে আঘাত এনে স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

এই ঝড়ের গতিপথ ওড়িষা-পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের খুলনা, পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার উপকুল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ সময় আজ বিকালে বাংলাদেশ উপকুলে ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে আঘাত করার কথা রয়েছে। উপকুলীয় অঞ্চলে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উপকুলে বসবাসরত সকলকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আজ সকাল থেকেই উপকুলীয় আশ্রয় কেন্দ্রগুলিতে মানুষ আসতে শুরু করেছে। উপকুলীয় অঞ্চলের সকল সাইক্লোন সেন্টার খুলে দেওয়া হয়েছে সম্ভাব্য বিপদের হাত থেকে বাঁচার জন্য। প্রয়োজনীয় ত্রান সামগ্রী নিয়ে প্রস্তুত রয়েছে সরকারী ও বেসরকারী ত্রান সংস্থাগুলি। সারাদেশে সরকারী নির্দেশে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে ও সমূদ্র বন্দর সমূহে পন্য উঠা নামা বন্ধ রাখা হয়েছে।

সারাদেশে এখন একটাই আলোচনা কি হতে যাচ্ছে শুক্রবার

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

দেশজুড়ে সকল শ্রেনী, পেশার মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে! বিশেষ করে উপকুলীয় ও দেশের চারটি সমূদ্র বন্দরে ও এর আশেপাশে অবস্থানরত মানুষের মাঝে এই আতঙ্কের মাত্রা আরো বেশী। আর এই আতঙ্কের মাত্রা বৃদ্ধি করছে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ফনী। ৪/৫ দিন আগে দক্ষিন বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমেই শক্তি বৃদ্ধি করে সমূদ্র উপকুলেরদিকে ধেয়ে আসছে। ঘূর্ণিঝড়টি উপকুলের ৮০০ কিলোমিটারের মধ্য ইতিমধ্যই চলে এসেছে। শুক্রবার বিকালে এটি ভারতের ওড়িষ্যা ও পুরী উপকুলে আঘাত আনার কথা রয়েছে। এর পর এটি পশ্চিমবঙ্গেরদিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমশ দুর্বল হয়ে বাংলাদেশের খুলনা, বাগেরহাট, মঙ্গলা, ভোলা ও পটুয়াখালী ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আঘাত আনবে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকুলীয় অঞ্চলে ৪/৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস দেখা দিতে পারে।

তীব্র এই ঝড়ের কবলে পড়ে ভারতের ওড়িষ্যা, পুরী ও অন্ধ্রের উপকুলীয় অঞ্চলে ব্যপক জানমালের ক্ষতির আশংস্কা করছে ভারতীয় আবহাওয়াবিদরা। সেই জন্য পুরী ও ওড়িষ্যার উপকুলীয় এলাকা থেকে সকলকে নিরাপদ দুরত্বে সরে যেতে বলেছে  ভারতের আবহাওয়া দপ্তর থেকে। উপকুলে আঘাত আনার পর এই ঝড় ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়বে। উপকুলে আঘাতের আগে পরে ভারি বৃষ্টিপাতও হবে।

মঙ্গলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে আবহাওয়া দপ্তর থেকে। চট্রগ্রাম বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। অপরদিকে কক্সবাজার সমূদ্র বন্দরে ৪ নম্বর বিপদ সংকেতই রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৬০ কিলোমিটার যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের উপকুলে আঘাত আনার সময় এই ঝড়ের গতিবেগ ঘন্টায় ৮০/৯০ কিলোমিটার হতে পারে। ইতিমধ্যই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে সারাদেশে নৌ চলাচল বন্ধ রয়েছে সরকারী নির্দেশে। বন্দরে পন্য খালাসের কাজও ইতিমধ্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিআইডব্লিওটিএর শুক্রবার ও শনিবারের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। দেশের সব কটি সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুত রাখা হয়ে সম্ভাব্য আক্রান্ত মানুষের জন্য।

ক্রমেই শক্তি বৃদ্ধি করে ধেয়ে আসছে ফনী, বন্দরে ৪ নম্বর সতর্কতা

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

ব্যপক শক্তি সঞ্চয় করে সাইক্লোন ফনী ধেয়ে আসছে উপকুলের দিকে। এরই মাঝে হ্যারিকেনের রূপ নিয়েছে ঘূর্নিঝড় ফনী। এই ঝড় উড়িষ্যা ও পুরীতে ভয়স্কর রুপ নিয়ে আঘাত আনবে। উড়িষ্যা উপকুলে আঘাত আনার সময় এর গতিবেগ হবে ১৭৫ থেকে ২০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ঘন্টায়। এর প্রভাবে ইতিমধ্যই বাংলাদেশের ৪টি সমূদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর সতর্কতা দেখিয়ে যেতে বলেছ আবহাওয়া অফিস। এই ঝড়ের প্রভাবে সমূদ্রে এখন উত্তাল অবস্থা বিরাজ করছে।

ভারতের পুরী উপকুলে অবস্থিত সমূদ্র সৈকতে থাকা সকল হোটেল ও গেস্ট হাউজ থেকে সকল পর্যটককে বৃহস্পতিবারের মধ্য নিরাপদ দুরত্ব ও স্থানে সরে যেতে বলেছে উড়িষ্যার প্রশাসন । ফনী শুক্রবার বিকাল নাগাত উড়িষ্যা উপকুলে আঘাত করবে বলে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে। উড়িষ্যা ও পুরী উপকুল থেকে সকল মানুষকে নিরাপদ দুরত্বে সরে যেতে বলেছে স্থানীয় প্রশাসন। ঝড়ের পরেও আরো ১২ ঘন্টা এই ঘোষনা বলবৎ থাকবে। এই ঝড় উড়িষ্যা উপকুলে আঘাত আনার পর তা পশ্চিমবঙ্গের দিকে অগ্রসর হবে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকুলেও উত্তাল অবস্থা বিরাজ করবে। তবে এর গতিপথ কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সরাসরি আঘাতেরও সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঝড়টির আয়তন বাংলাদেশের আয়তনের চেয়ে বেশী। উপকুলে আঘাতের আগে পরে ব্যপক বৃষ্টিপাতও হবে।

আসছে ঘূর্ণিঝড় ফনী, বন্দরে সতর্কতা

‌বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিন্মচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্নিঝড়ে রূপ নিয়েছে। বাংলাদেশের পছন্দ অনুযায়ী  এর নাম দেওয়া হয়েছে ঘূর্ণিঝড় ফনী। এর প্রভাবে দক্ষিন বঙ্গোপসাগরে এখন উত্তাল অবস্থা  বিরাজ করছে। এই ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিমদিকে অগ্রসর হয়ে এখন চট্রগ্রাম বন্দর থেকে ১৯৩৫ কিলোমিটার দক্ষিনে অবস্থান করছে। দেশের ৪টি সমূদ্র বন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী সকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে।

ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্য বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ৬২ কিলোমিটার যা ধমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও টলার সমূহকে  পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

রাজউক কি ধরা ছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাবে?

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

বনানীর এফ আর টাওয়ারের অগ্নিকান্ডের পর রাজউক নতুন করে অভিযান শুরু করেছে। ১৫টি টিমে বিভক্ত হয়ে রাজউক এই অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে ঢাকা শহরে। আজ রাজধানীর ফকিরাপুল, দৈনিক বাংলার সন্নিহিত স্থান সমূহে অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়। তাদের সাথে রয়েছে কয়েকটি টিভি চ্যানেলের ক্যামেরা। তারা বহুতল ভবনের প্রবেশ পথ, সিড়ি, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, ভবনের নকশাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ক্ষতিয়ে দেখছে। অভিযানের উদেশ্য ভবন নির্মাণে কোন অনিয়ম হয়েছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা ও সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।

দুর্ভাগ্যের বিষয় যাদের কারনে বিল্ডিং নির্মাণে এই অনিয়মগুলি হয়েছে বা হয় তাদেরকেই এই অনিয়ম ক্ষতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী দুর্নীতিগ্রস্থ সরকারী ৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্য রাজউক অন্যতম। রাজউকের দুর্নীতি সর্বজন বিদিত। যেখানে প্রায় সকলেই দুর্নীতির সাথে জড়িত। দেশের আপামর জনসাধারনের কাছে রাজউক একটি দুর্নীতির আখড়া। এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকান্ডের পর রাজউকের এমন ভাব যে এসব দুর্নীতির কিছুই জানে না রাজউক। কিন্তু দেশের মানুষ জানে ও বিশ্বাস করে এসব দুর্নীতির হুতা রাজউকই।

এফ আর টাওয়ার ১৮ তলার অনুমোদন নিয়ে কিভাবে ২৩ তলা হল তার জবাব রাজউকই দিতে পারবে। এই সব অনিয়মের দেখভাল রাজউকেরই করার কথা। আর রাজউককে পাশ কাটিয়ে এই সব অনিয়ম করা একেবারেই অসম্ভব। মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহনের মাধ্যমে রাজউক এই সব অনিয়মে সহযোগিতা করে যায়। রাজউকের প্রতি কর্মকর্তারই ঢাকা শহরে একাধিক বাড়ি, গাড়ি, জমি ও ফ্লাট রয়েছে। আর নামে বেনামে রয়েছে মোটা অংকের অর্থ। তাই সর্বাগ্রে রাজউকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অনিয়ম ও এর মাধ্যমে উপার্জিত অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা অত্যাবশ্যক। তা না হলে রাজধানীতে অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ বন্ধ হবে না। আর এর ফলে যে দুর্ঘটনা ঘটে তাও কমবে না।

এফ আর টাওয়ারে আগুন লাগার পর রাজউক অভিযানে নেমেছে। এই অভিযানের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন ভবন মালিককে নোটিশ পাঠাবে অবৈধ অংশ কিংবা পুরা বিল্ডিং ভেঙ্গে ফেলার জন্য। ভবন মালিকরা তাতে চাপে পড়ে আবার রাজউকেরই শরণাপন্ন হবে। এর ফলে রাজউকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আরো অধিক পরিমান অবৈধ উপার্জনের সুযোগ পেল। সরকারের উচিৎ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে এসব অনিয়ম তদারকির দায়িত্ব দেওয়া।

ইন্দোনেশিয়ায় শনিবার রাতে সৃষ্ট সুনামিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭৩

অনলাইন ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সুনামি আর আগ্নেয়গিরির তান্ডব যেন থামছেই না দ্বীপ রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায়। স্থানীয় সময় শনিবার রাত ৯টায় ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা আর জাভা দ্বীপের মাঝখানে সমূদ্রের তলদেশে আগ্নেয়গিরিতে বিস্ফোরনের ফলে সৃষ্ট হয় সমূদ্রের তলদেশে ভয়াবহ ভূমিধ্বস। আর এর ফলে ঐ স্থানের সমূদ্রের তলদেশ আন্দোলিত হলে মারাত্নক ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় সমূদ্রে। আর তা থেকেই সৃষ্টি হয় ভয়াবহ সুনামির। এই সুনামিতে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৩৭৩ জন। এ ছাড়া আহত হয়েছে প্রায় দুই হাজারের ওপরে। আর ১২৮ জনের এখনো কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

সাম্প্রতিক সময়ে ইন্দোনেশিয়ায় আরো কয়েকটি সুনামি ও আগ্নেয়গিরির অগ্নোৎপাত হয়েছে। এতে জানমালের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেখানে। শত শত মানুষ মৃত্যু বরন ও আহত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে বহু স্থাপনা। দুর্যোগ আর প্রলয়ের ঘনঘটা ইন্দোনেশিয়া জুড়ে। বিপদ একটা শেষ না হতেই আরেকটা শুরু হয়। এর আগে একই স্থানে ১৮৮৩ সালে এমন ভয়াবহ বিস্ফোরন ঘটেছিল। এর পর শনিবারের এই বিস্ফোরন ছিল মাত্রার দিক থেকে দ্বিতীয় ভয়াবহ বিস্ফোরন।

এনাক ক্রাকাতোয়া নামের এই আগ্নেয়গিরিতে বিস্ফোরনের ফলে লাভা নির্গমন হয় তা থেকে। এই সময় ওই স্থানে সমূদ্রের তলদেশ আন্দোলনের ২৪ মিনিট পর কিছু বুঝে উঠার আগেই সুনামি আঘাত হানে সন্নিহিত তীরে। আর এর ফলেই এই ব্যপক প্রানহানি ঘটেছে সেখানে। তবে সেখানে আবারও সুনামির আশষ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইন্দোনেশিয়ার ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা নির্গমন।

Posted by বিডি খবর তিনশতপয়ষটি ডটকম on Monday, December 24, 2018

 

 

1 2 3