টসে হেরে ব্যাটিংয়ে টাইগাররা

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকমঃ

বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১৯ এ আজকের খেলায় টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাউথ আফ্রিকা। ফলে বাংলাদেশকে প্রথমে ব্যাটিং করতে হচ্ছে। খেলা শুরু হতে আর মাত্র কয়েক মিনিট বাকি। ইঞ্জুরী কাটিয়ে দলে স্থান পেয়েছেন তামিম ইকবাল ও সাইফুদ্দিন। বাংলাদেশ একাদশে আছেন-তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোঃ সাইফুদ্দিন,  মুস্তাফিজুর রহমান ও মাশরাফি বিন মুর্তুজা।

ফাইনালে শ্বাসরুদ্ধকর জয় দিয়ে আয়ারল্যান্ড ট্রাই-ন্যাশন্স সিরিজ শেষ করলো টাইগাররা

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

বাংলাদেশ শিবিরে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা, কি হবে খেলার ফলাফল। উইন্ডিজদের দারুন সূচনায় ২০.১ ওভারেই কোন উইকেট খরচ না করেই ১৩১ রান সংগ্রহ। কোন অবস্থাতেই উইকেটের পতন ঘটাতে পারছিল না বাংলাদেশ। এমন সময় বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উভয় শিবিরে চলে নানা জল্পনা কল্পনা। লীগ পর্বে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পয়েন্ট থাকায় বৃষ্টির কারনে খেলা পরিত্যক্ত হলে বাংলাদেশ ট্রাই-ন্যাশন্স সিরিজে চ্যম্পিয়ন হত। দীর্ঘ সময় পরেও পরিবেশ অনুকুলে না থাকায় খেলার ফলাফল নিয়ে সিদ্ধান্তে আসা যাচ্ছিল না। এক পর্যায়ে প্রায় সাড়ে ৪ ঘন্টা পরে খেলা শুরু করার ঘোষনা আসলো আয়োজকদের কাছ থেকে। ডি এল ম্যাথডে খেলা হবে ২৪ ওভার।

বৃষ্টির পর পুনরায় খেলা শুরু হলে ২৪ ওভার খেলে ১ উইকেট হারিয়ে উইন্ডিজরা ১৫২ রান করে। আর তাতে বাংলাদেশের টার্গেট ঠিক করা হয় ২৪ ওভারে ২১০ রান যা অনেকটা অসম্ভব ব্যপার হয়ে দাঁড়ায় বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশ কি পারবে মাত্র ২৪ ওভারে ২১০ রান করতে? টাইগাররা ব্যাটিংয়ে নামে আত্নবিশ্বাস নিয়ে। এক পর্যায়ে সৌম্য সরকারের দৃঢ়তায় দলীয়  রান দাঁড়ায় ৫৯। আর তখনই ১৩ বলে ১৮ রান করে তামিম ইকবাল আউট হন। ক্রিসে আসেন সাব্বির রহমান, ২ বল খেলে শূন্য রানে দলীয় ৬০ রানের মাথায় আউট হন সাব্বির। হতাশা নেমে আসে বাংলাদেশ শিবিরে, বাংলাদেশ কি জিততে পারবে? ৪১ বলে ৬৬ ও দলীয় ১০৯ রানের মাথায় আউট হন সৌম্য সরকার। বাংলাদেশ শিবিরে তখন হতাশার মাত্রা আরো বৃদ্ধি পেল। ক্রিসে আসেন মুশফিক। ২২ বলে ৩৬ রান করে এলবিডাব্লিও হয়ে আউট হন তিনি। দলীয় রান তখন ১৩৪/৪। আর দলীয় ১৪৩ রানের মাথায় আউট হন মোহাম্মদ মিথুন। এই পর্যায়ে হাল ধরেন মাহমুদুল্লাহ ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। সৈকতের অতি দানবীয় ব্যাটিংয়ে অবশেষে বাংলাদেশ কাংঙ্খিত জয় পায়। সৈকত ২৪ বলে ৫২ রান করে ও মাহমুদুল্লাহ ২১ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২১৩ আর সেই সাথে অসম্ভবকে সম্ভব করলো টাইগাররা। সারা দেশে আনন্দের বন্যায় ভেসে যায়। প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিরা অভিনন্দন জানায় বাংলাদেশ দলকে। সাবাস বাংলাদেশ, সাবাস টাইগার দল। সাবাস মাশরাফি বিন মর্তুজা। আর এই সিরিজ জয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দলে আত্নবিশ্বাস বেড়ে গেল। বিশ্বকাপে এক ধাপ এগিয়ে রইলো বাংলাদেশ।

ট্রাই ন্যাশন সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সহজ জয়

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম-

বাংলাদেশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এই খেলায় টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা ৫০ ওভার খেলে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৬১ রান করতে সক্ষম হয়। এর মধ্য সাই হোপ ও চেজ যথাক্রমে সেঞ্চুরী ও হাফ সেঞ্চুরী করে। শুরুতেই বাংলাদেশের বলাররা চাপে রাখে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও উইকেটের পতন ঘটাতে পারছিলনা বাংলাদেশের বলাররা। টাইগার ক্যাপ্টেন মাশরাফি বিন মর্তুজা  ৩টি উইকেট নেন। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ও মোস্তাফিজুর রহমান দুইটি করে উইকেট লাভ করেন। এছাড়া সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজ ১টি করে উইকেটের পতন ঘটান। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর দাঁড়ায় ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৬১।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের ব্যাটিংয়ে সহজেই রানের চাকা সচল রেখে এগিয়ে যায়। দলীয় ১৪৪ রানের মাথায় টাইগাররা সৌম্য সরকারের উইকেট হারায়। দলীয় ১৯৬ রানের সময় তামিম ইকবাল ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সৌম্য সরকার ৬৮ বলে ৭৩ রানের দৃষ্টি নন্দন ইনিংস খেলেন। আর তামিম ইকবাল করেন ১১৪ বলে ৮০ রান। তামিম আর সৌম্যর সংগ্রহ করা রানের ওপর ভিত্তি করেই বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বিশাল জয় পায়। জয়ে সাকিব আল হাসানও ব্যাটে বলে অবদান রাখেন। ১০ ওভার বলে তিনি মাত্র ৩৩ রান দিয়েছেন। আর ব্যাট হাতে করেছেন ৬১ বলে ৬১ রান। অপরদিকে মুশফিকুর রহিম ২৫ বলে ৩২ রান করেন। সাকিব ও মুশফিক অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ২৬৪/২(৪৫ ওভার)। ৩০ বল বাকি থাকতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই জয়ে বাংলাদেশ শিবিরে আত্নবিশ্বাস বেড়ে গেছে, দলে ফিরে এসেছে প্রান আর বিশ্বকাপে ভাল করার স্বপ্ন।

শুক্রবার বিয়ের পিড়িতে বসছেন ক্রিকেটার মোস্তাফিজ

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

জাতীয় দলে অভিষেকের সময় মোস্তাফিজুর রহমানের বয়স ছিল মাত্র ১৯। অভিষেকেই তিনি মাতিয়েছেন ক্রিকেট দুনিয়া। ক্রিকেট দুনিয়ায় তাকে নিয়ে বেশ হৈচৈ পড়েছিল। জনপ্রিয় আইপিএলেও ইতিমধ্য ৩ বার ডাক পেয়েছেন। দুই বার খেলেছেন সান রাইজার হায়দারাবাদের হয়ে। আইপিলে তার অভিষেক আসরে তিনি ছিলেন বেশ সফল। এর পর ইংল্যান্ডে লীগ খেলতে যেয়ে খেলার সময় পিঠে পেশীতে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন ছিলেন মাঠের বাইরে। তারপর আবার ফিরে আসা কিন্তু আগের মত আর ফারফর্ম করতে পারছেন না। এখন এই কাটার মাস্টার খ্যত মোস্তাফিজের বয়স ২৩ বছর।

নতুন জীবনে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন মোস্তাফিজুর রহমান। আগামীকাল তার শুভ বিবাহ হবার কথা রয়েছে। পাত্রী ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্রী তারই মামাত বোন। জানা যায়, মোস্তাফিজের মায়ের ইচ্ছাতেই এই বিয়ের আয়োজন। তবে এখন অনাড়ম্বরভাবে বিয়ে হবে। পরে যথাযথ সময়ে অনুষ্ঠান করে জানান দেওয়া হবে তার বিয়ের।

৪ উইকেট হারিয়ে ২য় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৭৪

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

নিউজিল্যান্ডের ১ম ইনিংসের ৭১৫/৬(ডিঃ) জবাবে বাংলাদেশ ২য় ইনিংসে খেলতে নেমে ৪  উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান করে। নিউজিল্যান্ডের বিশাল রান তারা করতে নেমে ২য় ইনিংসে বাংলাদেশের শুরুটা ভালই হয়েছিল। ওপেনার তামিম ইকবাল ও সাদমান ইসলাম ৮৮ রানের জুটি গড়েন।

ব্যক্তিগত ৩৭ রানে সাদমান ওয়াগনারের বলে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে আসেন। এর পর মমিনুল আউট হন দলীয় ১০০ রানে ও ব্যক্তিগত ৮ রানে। তারপর  শূন্য রানে আউট হন মোঃ মিঠুন। আর দলীয় ১২৬ রানের মাথায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে আউট হন তামিম ইকবাল। মাহমুদুল্লাহ ১৫ ও সৌম্য সরকার ৩৯ রানে অপরাজিত থেকে ৩য় দিন শেষ করেন। ইনিংস হার এরাতে বাংলাদেশের এখনো আরও ৩০৭ রান দরকার আর হাতে আছে ৬ উইকেট। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে উইলিয়ামসন ২০০ এবং লাথাম ও রাভাল যথাক্রমে ১৬১ ও ১৩২ রান করেন।

স্কোরঃ   বাংলাদেশ ২৩৪ ও ১৭৪/৪

নিউজিল্যান্ড ১ম ইনিংস ৭১৫/৬ (ডিঃ)

তামিমের ১২৬ রানের পরও প্রথম ইনিংসে ২৩৪ রানে অল আউট হয়েছে টাইগাররা

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

তামিম ইকবালের শত রানের পরও হেমিল্টন টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ মাত্র ২৩৪ রানে অল আউট হয়েছে। টস জিতে বাংলাদেশকে ফিল্ডিংয়ে পাঠায় নিজিল্যান্ড। শুরুটা ভালভাবেই পাড় করছিলেন তামিম ইকবাল ও সাদমান ইসলাম। দলীয় ৫৭ রানে প্রথম উইকেটের পতন ঘটে, সাদমান ইসলাম আউট হয়ে সাঁজঘরে ফিরে যান ৩২ বলে ২৪ রান করে। এর পর মমিনুলকে সাথে নিয়ে জুটি গড়েন তামিম। দলীয় ১২১ রানে মমিনুল আউট হয়ে ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। এর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে। শেষ অবদি ২৩৪ রানে ৫৯.২ ওভারে টাইগাররা অল আউট হয়। তামিম ইকবাল ১২৮ বলে ১২৬ রানের ইনিংস খেলেন। নিজিল্যান্ডের পক্ষে ওয়াগনার ৫টি উইকেট নেন।

জবাবে নিউজিল্যান্ড কোন উইকেট না হারিয়ে ৮৬ রান করে প্রথম দিনের খেলা শেষ করে। রাভাল ও লাথাম যথাক্রমে ৫১ ও ৩৫ রান করে অপরাজিত আছেন।

 

উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩৬ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনলো

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে টি-২০ সিরিজে সমতা আনলো বাংলাদেশ। ওত্তেজনাকর আজকের এই ম্যাচে বাংলাদেশ সফরকারীদের ৩৬ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতার সম্ভাবনা জাগিয়ে রাখলো। টস হেরে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাটিং করে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০ ওভারে ২১১ রান তুলে। ওপেনার লিটন দাস ৩৪ বলে ৬০ রান করে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। সাকিব আল হাসান ২৬ বলে ৪২ আর মাহমুদুল্লাহ ২১ বলে ৪৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। তামিম ১৫ ও সৌম্য সরকার ৩২ রান করেন।

জবাবে ২১২ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভালই করছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সাই হোপ ১৯ বলে ৩৬ আর পাওয়েল ৩৪ বলে ৫০ রান করেন। সব শেষ ১৯.২ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে তারা ১৭৫ সংগ্রহ করেন। সাকিব আল হাসান দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি একাই ৪ ওভার বল করে ২১ রান দিয়ে ৫টি উইকেট তুলে নেন। মুস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভার বল করে ৫০ রান দিয়ে ২টি উইকেট পান। টি-২০ ম্যাচে  মিরপুর স্টেডিয়ামে আজ বাংলাদশের করা ২১১ রানই সর্বোচ্চ দলীয় রান। প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ হন সাকিব আল হাসান।

স্কোরঃ বাংলাদেশঃ ২১১/৪ (২০ ওভার)

ওয়েস্ট ইন্ডিজঃ ১৭৫/১০ (১৯.২ ওভার)

টেস্ট ইতিহাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

টেস্ট ইতিহাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ইনিংস ও ১৮৪ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচের সিরিজে ২-০তে হোয়াইট ওয়াস হল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টেস্ট ইতিহাসে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। এই জয়ের মূল নায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। মেহেদী হাসান মিরাজ দুই ইনিংসে ১২ উইকেট নিয়ে স্পিন যাদুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তছনছ করে দেন।

মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশ দল টস জিতে প্রথম ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে ৫০৮ রানের বিশাল সংগ্রহ করে। জবাবে প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাট করতে নেমে ১১ রানেই গুটিয়ে যায় তাদের প্রথম ইনিংস। ফলে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ফলো অনে ফেলে আবার ব্যাট করতে পাঠায়। দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সব কটি উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান সংগ্রহ করে। ফলে বাংলাদেশ সহজেই ইনিংস ও ১৮৪ রানের জয় তুলে নেয়।

মিরপুর টেস্টে অভিষেক করা সাদমান ইসলাম ৭৬, সাকিব আল হাসানের ৮০ ও মাহমুদুল্লাহর ১৩৬ রানের সুবাদে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৫০৮ রানের বিশাল সংগ্রহ করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে মেহেদী হাসান মিরাজ শিকার করেন ৭ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসেও তিনি ৫ উইকেট নেন। মেহেদীর স্পিন যাদুতেই কপোকাত হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই টেস্টের সিরিজে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪০ উইকেট শিকার করে।

স্কোরঃ বাংলাদেশ-৫০৮/১০(১ম ইনিংস)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ-১১১/১০ ও ২১৩/১০(ফলো অন)

চট্রগ্রাম টেস্টে ৬৪ রানের জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্রগ্রাম টেস্টে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ৬৪ রানে স্বাগতিকরা সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছে। স্পিনার তাইজুল ইসলাম ৬ উইকেট নিয়ে বিধ্বস্ত করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। এর আগে চট্রগ্রাম টেস্টে ৩২৪ রানে বাংলাদেশ অল আউট হয়েছিল।

জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সব কটি উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান সংগ্রহ করেছিল ১ম ইনিংসে। দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে ১২৫ রানে অল আউট হয় বাংলাদেশ। ফলে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস শেষে ২০৪ রানের লিড নেয়। ২০৪ রানের টার্গেট নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে ১১ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা। সবশেষ ১৩৯ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারী দলের সব কটি উইকেট। আর সেই সাথে টাইগাররা অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১ম টেস্টে জয় পায়।

স্কোরঃ বাংলাদেশ- ৩২৪/১০ ও ১২৫/১০

ওয়েস্ট ইন্ডিজ -২৪৬/১০ ও ১৩৯/১০

চট্রগ্রাম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করছে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিডি খবর৩৬৫ ডটকম

বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার চট্রগ্রাম টেস্টে টস জিতে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। দলীয় ১ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ০ রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেন সৌম্য সরকার। মমিনুল ৫৯ বলে ৪৬ আর ইমরুল কায়েস ৬৪ বলে ২৭ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। দলীয় রান ৭৯, ১ উইকেটের বিনিময়ে, ২১তম ওভারের খেলা চলছে।দীর্ঘদিন আঙ্গুলের ইঞ্জুরিতে মাঠের বাইরে থাকার পর আজ খেলছেন ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসান। এই টেস্টের মধ্য দিয়ে অভিষেক হবে নাইম হাসানের। দলে ফিরেছেন সৌম্য সরকার, বাদ পড়েছেন লিটন দাস। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭৯/১।

 

২৫ রানে ৪ উইকেট পতনের পর মাহমুদুল্লাহ আর মিথুনের ব্যাটে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে মাত্র ১০ রানেই বাংলাদেশের টপ অর্ডারের ৩ উইকেটের পতন ঘটে। ইমরুল কায়েস, লিটন দাস ও মুমিনুল একে একে সাজঘরে ফিরে যান। আর দলীয় ২৫ রানের মাথায় বাংলাদেশের টপ অর্ডারের আরেক ভরসার নাম মুশফিকুর রহিম সিম্পল ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলে কঠিন চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

এই অবস্থা থেকে মোঃ মিথুন ও মাহমুদুল্লাহ সতর্কতার সাথে ব্যাট চালিয়ে দলকে ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মিথুন আর মাহমুদুল্লাহ ১৪৩ রানের একটি চমৎকার পার্টনারশিপ গড়েছেন। যার ফলে বিপর্যয় অবস্থা কাটিয়ে দলের রান দাঁড়ায় ১৪৩/৪। মাহমুদুল্লাহ ব্যাক্তিগত ৫৪ ও মিথুন ব্যক্তিগত ৬৭ রান নিয়ে খেলছেন।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৫২২। মমিনুল আউট হয়েছিলেন ১৬১ রান করে এবং মুশফিকুর রহিম ২১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। এ ছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ ৬৮ রানের একটি সুন্দর খেলা উপহার দিয়ে অপরাজিত ছিলেন। জবাবে জিম্বাবুয়ে ১ম ইনিংসে ৩০৪ রান করে সব কটি উইকেট হারিয়ে। ফলে বাংলাদেশ ৩৬১ রানের লিড নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। খেলা চলছে

স্কোরঃ বাংলাদেশ ৫২২/৭ ডি ও ১৪৩/৫ (চলছে)

জিম্বাবুয়ে ৩০৪/১০

মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের ১ম ইনিংসে ৫২২/৯ ডি এর জবাবে জিম্বাবুয়ের ৩০৪/১০

নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

মিরপুর টেস্টের ১ম ইনিংসে বাংলাদেশ ৭ উইকেট খরচ করে ৫২২ রান করে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষনা করে। ১ম ইনিংসে দলীয় ২৬ রানের মধ্যেই বাংলাদেশ টপ অর্ডারের ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। ইমরুল কায়েস ১৬ বল খেলে ০ রানে দলীয় ১৩ রানে আউট হন। তারপর দলীয় ১৬ রানে লিটন দাস ও দলীয় ২৬ রানে মোঃ মিথুন আউট হন। দলের এই বিপর্যয়ে সতর্কতার সাথে শক্তভাবে হাল ধরেন বাংলাদেশ দলের তারকা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হক।

মুশফিক আর মুমিনুল হক দলের রান নিয়ে যান ২৬ থেকে ২৯২ এ। দলীয় ২৯২ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১৬১ রান করে আউট হন মুমিনুল হক। সুন্দর সাবলীলভাবে খেলে যান মুশফিক আর তাইজুল। দলীয় ২৯৯ রানে তাইজুল আউট হন। পরে আসেন মাহমুদুল্লাহ। দলীয় ৩৭২ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৩৬ রান করে আউট হন মাহমুদুল্লাহ। এর পর ৭ম উইকেটের পতন হয় দলীয় ৩৭৮ রানে। তারপর আর উইকেট পরেনি। মুশফিকুর রহিম খেলেন তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংসটি। মুশফিক ব্যক্তিগত ২১৯ রান করে অপরাজিত থেকে দলীয় ৫২২ রানে ইনিংস ঘোষনা করেন। অপর প্রান্তে ৬৮ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বাংলাদেশের স্কোরঃ ৫২২/৭ ডি।জবাবে জিম্বাবুয়ে খেলতে নেমে সব কটি উইকেট হারিয়ে ৩০৪ রান করে। জিম্বাবুয়ের পক্ষে ব্রেন্ডন টেলর ১১০ রান ও পিজি মোর ৮৩ রান করেন। জিম্বাবুয়ের স্কোরঃ ৩০৪/১০। ফলে জিম্বাবুয়ে ২১৮ রানে পিছিয়ে আছে। বুধবার চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হবে।

সাকিব আল হাসান নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না

নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

গতকাল শনিবার আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল মাশরাফি বিন মর্তুজা ও সাকিব আলা হাসান রবিবার আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহ করবেন। আওয়ামীলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদ ব্যারিস্টার বিল্পব বড়ুয়া এই তথ্য জানিয়েছিলেন। মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহের জন্য তারা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সাথে শনিবার দুপুরে যোগাযোগ করে মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন বলে  বিল্পব জানিয়েছিলেন।

রাতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে গনভবনে দেখা করেন সাকিব আল হাসান। এই সময় শেখ হাসিনা সাকিবকে বলে, ‘সামনে বিশ্বকাপ খেলা চালিয়ে যাও’। ফলে সাকিব আল হাসান নির্বাচন করছেন না বলে পরিস্কার হল। অপরদিকে মাশরাফি আজ মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহ করতে পারেন বলে জানা গেছে।

ম্যাচের নিয়ন্ত্রন জিম্বাবুয়ের হাতে, কঠিন চাপে স্বাগতিকরা

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

সিলেটে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে প্রথম টেষ্টে ৩য় দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষতা ও অতি সাবধানে এগিয়ে যাচ্ছে সফরকারীরা। ব্যাটিংয়ে অভিজ্ঞতার ছাপ রাখছেন সফরকারীরা। প্রথম ইনিংসে সব কটি উইকেট হারিয়ে সফরকারীরা ২৮২ রান করেছিল। বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র সফল বলার তাইজুল ৬টি উইকেট শিকার করেছিলেন।

জবাবে বাংলাদেশ ১৪৩ রানেই বিসর্জন দেয় সবকটি উইকেট। মধ্যাহ্ন ভোজের পর ব্যাটিংয়ে নেমে দুটি সেশনও টিকে থাকতে পারেনি স্বাগতিকরা। ১৯ রানেই বিলিয়ে দেয় ৪টি উইকেট। গতকাল শেষ সময়ে জিম্বাবুয়ে ২য় ইনিংসের খেলা শুরু করে ২ রান করলে শেষ হয় দ্বিতীয় দিনের খেলা। আজ খেলতে নেমে জিম্বাবুয়ের প্রথম উইকেটের পতন ঘটে ১৯ রানে, দ্বিতীয় উইকেটের পতন হয় দলীয় ৪৭ রানে। আর তৃতীয় উইকেটের পতন হয় দলীয় ১০১ রানে। ৪৮ রান করে হেমিল্টন মাসাকাজ্জা আউট হন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে ২৬৯ রানের লিড নিয়ে ব্যাট করছে।

স্কোরঃ

জিম্বাবুয়েঃ ২৮২ ও ১৩০/৫ * (৪৩ ওভার)

বাংলাদেশঃ ১৪৩

বাংলাদেশকে ২৪৭ রানের টার্গেট দিয়েছে জিম্বাবুয়ে

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

টস জিতে বাংলাদেশ জিম্বাবুয়েকে প্রথম ব্যাট করতে পাঠায়। জবাবে সফররতরা বেশ ভালভাবেই রানের চাকা সচল রাখেন। দলীয় ১৮ রানের মাথায় সাইফুদ্দিনের বলে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান হেমিল্টন মাসাকাজদা। এর পর জুয়াওকে নিয়ে টেইলর বাংলাদেশের বলারদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেন। এরপর দলীয় ৭০ রানে জুয়াও মেহেদী হাসানের বলে সাইফুদ্দিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান।

এরপর তৃতীয় উইকেটের পতন ঘটে দলীয় ১৪৭ রানের মাথায়। এ সময় টেইলর আউট হন ৭৩ বলে ৭৫ রান করে। দলীয় ১৮৮ রানের সময় আউট হন উইলিয়ামস (৪৭)। ২২৯ রানে পঞ্চম উইকেটের পতন ঘটে। এই সময় সিকান্দার রাজা ৬১ বলে ৪৯ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান করতে সক্ষম হয়। ফলে বাংলাদেশ জয়ের জন্য ২৪৭ রানের টার্গেট নিয়ে ব্যাট করবে। বাংলাদেশের পক্ষে সাইফুদ্দিন ১০ ওভার বল করে ৪৫ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। মাশরাফি, মুস্তাফিজ, মেহেদী ও মাহমুদুল্লাহ ১টি করে উইকেট নেন।

দুপুর আড়াইটায় বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে প্রথম ওয়ানডে

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ের মধ্যকার ৩ ম্যাচ সিরিজের ওয়ানডের প্রথমটি আর অল্প কিছুক্ষনের মধ্যই শুরু হতে যাচ্ছে। খেলাটা শুরু হবে দুপুর আড়াইটায় মিরপুর স্টেডিয়ামে। ওয়ানডে সিরিজের অপর দুটি ম্যাচ হবে যথাক্রমে ২৪ ও ২৬শে অক্টোবর চট্রগ্রাম জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে।

জিম্বাবুয়ে দল গত মঙ্গলবার ঢাকায় এসে পৌছেছে। এই সফরে তারা স্বাগতিক বাংলাদেশের সাথে ৩টি ওয়ানডে ও ২টি টেস্ট ম্যাচ খেলবেন। ইতিমধ্যই তারা স্বাগতিক বাংলাদেশের সাথে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। প্রস্তুতি ম্যাচে জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশের কাছে ৮ উইকেটে হেরেছে। ইনজুরীর কারনে তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান খেলতে পারবেন না। তাই এই দুজনের অনুপস্থিতে জিম্বাবুয়ে দল বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছে। বাংলাদেশ দলে সাকিব আল হাসানের পরিবর্তে নতুন মুখ দেখা যাবে। রুবেল হোসেনের খেলাও নিশ্চিত না। ২ দিন আগে মাত্র জ্বর থেকে সেরে উঠেছেন তিনি। এখনো খেলার জন্য পুরাপুরি ফিট না তিনি।

টাইগারদের এশিয়াকাপে ফাইনাল খেলা ছিল প্রত্যাশিত

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

ইনজুরী সমস্যা নিয়ে এবার টাইগাররা এশিয়াকাপে অংশ নিয়েছে। দলের নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আগে থেকেই আঙ্গুলের সমস্যার কারনে খেলতেই চাচ্ছিলেন না এশিয়াকাপে। নির্বাচকদের চাপে তিনি খেলতে বাধ্য হন। গ্রুপ পর্বের দুটি ও সুপার ফোরের দুটি খেলায় তিনি খুব একটা সুবিদা করতে পারেননি। সুপার ফোরের পাকিস্তানের বিপক্ষে গতকাল তিনি খেলেননি। আঙ্গুলের সমস্যার কারনে ব্যাট ধরাও সমস্যা হচ্ছিল তার। ইতিমধ্যই তিনি দেশে ফিরে এসেছেন।

অপরদিকে গ্রুপ পর্বে শ্রীলংকার বিপক্ষে খেলার সময় বাম হাতের কব্জিতে বল লেগে মারাত্নকভাবে আহত হন তামিম ইকবাল। দেশের সেরা ওপেনিং ব্যাটসম্যান তিনি। তার হাতে অস্ত্রোপচার করতে হবে সেই জন্য তিনি ইতিমধ্যই লন্ডন রওনা হয়ে গেছেন। নির্ভরযোগ্য অপেনিং ব্যাটসম্যান তামিমকে ছাড়া অপেনিংয়ে বেশ সমস্যা হচ্ছিল। এশিয়া কাপ-১৮ এর প্রতিটি খেলায়ই শুরুতেই ২/৩টি উইকেট পতনে চাপে পড়ে টাইগাররা।

এই অবস্থায় শক্তিশালী পাকিস্তান দলের বিপক্ষে টস জিতে সুপার ফোরের শেষ খেলায় ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। শুরুতেই বরাবরের মত ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুনের দৃড়তায় এই চাপ কাটিয়ে উঠে টাইগাররা। এই জুটি দলকে একটি শক্ত অবস্থানে দাড় করায়। এই জুটি আউট হবার পর আর কোন ব্যাটসম্যান সুবিদা করতে পারেন নি। ইমরুল কায়েস, মোহাম্মদউল্লাহসহ অন্যরা তেমন প্রতিরোধ গড়তে পারেননি পাকিস্তানের বিপক্ষে। ৩৫ ওভার খেলা শেষে এক পর্যায়ে ধারা ভাষ্যকাররা বলতেছিলেন বাংলাদেশের সম্ভাব্য রান হবে ২৭০ থেকে ২৮০। কিন্ত ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় তা থেমে যায় ২৩৯ রানে। ৭ বল বাকি থাকতেই টাইগাররা সব কটি উইকেট হারায়।

অপরদিকে ব্যাট করতে নেমে শুরতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। সোয়েব মালিক ও ইমামের দৃড়তায় পাকিস্তান প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলে। বাংলাদেশের বলাররাও সমান  তালে চাপে রাখে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের। শেষমেষ ৯ উইকেট  হারিয়ে ৫০ ওভারে ২০২ রান করে পাকিস্তান। ফলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩৭ রানের জয় পায় টাইগাররা। এই জয়ে বলাররা অবদান রাখেন সবচেয়ে বেশী। তবে এই জয় প্রত্যাশিতই ছিল।

সুপার ফোরে প্রত্যেক দল একে অপরের সাথে ৩টি করে ম্যাচ খেলে। ৩ খেলায় ভারত ২টিতে জয় ও একটিতে ড্র করে ৫ পয়েন্ট অর্জন করে। বাংলাদেশ সমসংখ্যক খেলায় ২টি জয় ও একটিতে পরাজয় পেয়ে ৪ পয়েন্ট অর্জন করে। পাকিস্তান ৩ খেলায় ১টিতে জয় ও দুটিতে হেরে ২ পয়েন্ট পায়। অপরদিকে আফগানিস্তান ৩ খেলায় দুটিতে পরাজয় ও একটিতে ড্র করে ১ পয়েন্ট অর্জন করে। ফলে আগামীকাল দুবাইয়ে ভারতের বিপক্ষে ফাইনাল খেলবে বাংলাদেশ।

এশিয়া কাপে ডাক পেয়েছেন ইমরুল ও সৌম্য

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

ওপেনিং ব্যাটসম্যান হিসাবে সৌম্য সরকার শুরুতে দাপটের সাথে খেলেছেন বাংলাদেশ দলে। তার দৃষ্টি নন্দন ছক্কা ও চারের মার দর্শক আজও ভুলেনি। সৌম্য সরকার শুরুতে আশা দেখিয়ে ছিলেন বাংলাদেশি ক্রিকেট প্রেমীদের। কিন্তু দলের প্রত্যাশা তিনি বেশীদিন ধরে রাখতে পারেননি।

গত সাত ম্যাচে সৌম্যের পারফরমেন্সে হতাশ বাংলাদেশ ক্রিকেটের অনুরাগীরা। অপর দিকে আরেক ওপেনার ইমরুল কায়েসেরও কোন ধারাবাহিকতা নেই। এই দুইজনকে বাদ দিয়ে এশিয়া কাপের জন্য দল গঠন করা হয়েছিল। আনা হয়েছিল নবাগত নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিথুনকে। কিন্তু এরাও গত দুটি ম্যাচে ফ্লপ করেছেন। ফলে এই জায়গাটায় পরিবর্তন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। আর এই পরিবর্তনের কথা চিন্তা করেই মন্দের ভালো মনে করে এশিয়া কাপে ডাকা হয়েছে সৌম্য সরকার ও ইমরুল কায়েসকে।

তবে সৌম্য সরকার দাঁড়িয়ে গেলে দলকে ভাল রান উপহার দিতে পারেন, এমনটা প্রথমদিকে তিনি প্রমান করেছেন। তার মারে চার/ছয়ের ক্ষমতা রয়েছে তা তিনি আগে প্রমান করেছেন কয়েকবার। সৌম্যের ভাল রান করার ক্ষমতা রয়েছে, এমন চিন্তা থেকেই হয়তো অন্যরা ব্যর্থ হওয়ার কারনে সৌম্যকে ডাকা হয়েছে এশিয়া কাপের বাকি ম্যাচগুলি খেলার জন্য।

অপরদিকে ইমরুল কায়েশও চাইলে কিছু চার/ছয় উপহার দিতে পারেন এমন চিন্তা থেকেই তাকে ডাকা হয়েছে এশিয়া কাপে। আগামীকাল শক্তিশালী আফগানিস্তান দলের বিপক্ষে হয়ত ইমরুল ও সৌম্যকে দেখা যাবে। বাংলাদেশ হয়ত কালকের ম্যাচে আফগানদের বিরুদ্ধে ঘুরে দাড়াবে-এমনটিই আশা করছে বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রেমীরা।

মিরাজ পারলেন, অন্যরা ব্যর্থ কেন?

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

একজন তামিম ইকবাল যে বাংলাদেশ দলে কত প্রয়োজন তা টের পাওয়া গেছে এশিয়া কাপে আফগানিস্তান ও ভারতের সাথে টাইগারদের সূচনীয় হারের মধ্য দিয়ে। তামিম ইকবাল ভাল করলে দল সেদিন ভাল করে। তামিমের গড়া রানের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ দল জিতে যায়। আর তামিম না থাকলে টাইগারদের কি অবস্থা হয় তা আমরা গত দুটি ম্যাচে দেখেছি।

তামিম ইকবাল বাদে ওপেনিংয়ে ধারাবাহিকতা আছে এমন কোন খেলোয়ার নাই। দীর্ঘ দিনেও আমরা আরেক জন তামিম ইকবাল বানাতে পারিনি। এটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের ব্যর্থতা। ভারতের সাথে গতকালের ম্যাচে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা একের পর এক ব্যর্থ হয়েছেন সেখানে মিরাজ ৫০ বলে ৪২ রান করেছেন স্বাভাবিকভাবে খেলে। সেই সাথে মাশরাফি ৩২ বলে করেছেন ২৬ রান। তা হলে টপ অর্ডাররা ব্যর্থ কেন-এর উত্তর খোঁজা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। অত্যান্ত বাজে খেলে লিটন, নাজমুল, মিথুন, মুশফিক ও মাহমুদুল্লারা আউট হয়েছেন। খেলা দেখে মনে হয়েছে এরা সকলেই শুধু বল ঠেকানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন। রান করতে হবে এইটা মনে হয় আমাদের টপ অর্ডারের সকলেই ভুলে গিয়েছিলেন।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে আজ মুশফিকুর রহিম ও মুস্তাফিজ নাও খেলতে পারেন

স্পোর্টস ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

এশিয়া কাপের আজকের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিম ও মুস্তাফিজকে মাঠে নাও দেখা যেতে পারে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যই সুপার ফোরে উঠায় আজকের ম্যাচ এশিয়া কাপের জন্য গুরুত্বহীন। কিন্তু আন্তর্জাতিক ম্যাচ হওয়ায় এর গুরুত্ব রয়েছে। এর ওপরে র‍্যাংকিংসহ অন্যান্য পরিসংখ্যান নির্ভর করবে। তাই ম্যাচটাকে ফেলাও যাচ্ছে না আবার হজমও করা যাচ্ছে না। এমন অবস্থায় এসে দাড়িয়েছে আজকের ম্যাচটি।

তবে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ওই ম্যাচ নিয়েই মাশরাফিরা ভাবছেন বেশী। শুক্রবারই ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। ইনজুরীর কারনে এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচেই আঘাত পেয়ে তামিম ইকবাল আর খেলতে পারছেন না। এই এশিয়া কাপে খেলার ফিটনেস ফিরে পাবেন না তিনি এটা নিশ্চিত। অপরদিকে সাকিব আল হাসান পূর্ব থেকে ইনজুরীতে আছেন। হাতের আঙ্গুলে অপারেশন করানোর কথা। এই অবস্থায়ও দলের প্রয়োজনে ইনজুরী নিয়েই খেলে যাচ্ছেন।

শ্রীলংকার বিরুদ্ধে খেলায় মুসফিকুর কোমরে চোট পেয়েছেন। সেই জন্য তিনি আজকের ম্যাচ খেলবেন না। দলও হয়ত তাকে আজকে খেলাবে না। আবার আজকে খেলার পর কালই ভারতের সাথে সুপার ফোরে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। মাঝখানে বিরতি নেই। এই কারনে বিশ্রামের প্রয়োজনে ও কালকের ম্যাচে যাতে পূর্ণ শক্তি নিয়ে খেলতে পারেন তার জন্য আজকে মুশফিক ও মুস্তাফিজ খেলবেন না বলে জানা গেছে। তবে সাকিব আল হাসান আজকের ম্যাচে থাকছেন।

আজকের ম্যাচে মুমিনুলের খেলার কথা রয়েছে। ৩ বছর পর মুমিনুলকে ওয়ানডেতে দেখা যাবে। আজকের ম্যাচে আবু হায়দার রনী ও নাজমুল হোসেন শান্তও খেলবেন বলে জানা গেছে। সূচী পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ বেশ সমস্যায় পড়েছে। এই নিয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচে বিরতি ছাড়া খেলার উদাহরন খুবই কম। আর বাংলাদেশের এই অবস্থায় ভারত সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে।

1 2 3 4 8