বাংলাদেশের মাথা পিছু আয় ভারতের থেকে বেশী

সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো জানিয়েছে বাংলাদেশের মানুষের আয় বেড়ে ২২২৭ ডলারে দাড়িয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় যা ১৮৮৮৭৩ টাকা। অপরদিকে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস থেকে জানা যায় ভারতের মাথা পিছু আয় ১৯৪৭ ডলার। আর বাংলাদেশী টাকার হিসাবে যা দাঁড়ায় ১৬৫১৭০ টাকা। ডলারে হিসাব করলে বাংলাদেশের মাথা পিছু আয় ভারতের মাথা পিছু আয় থেকে ২৮০ ডলার বেশী। অর্থাৎ বাংলাদেশী মানুষের মাথা পিছু আয় ভারতের মানুষের মাথাপিছু আয় থেকে বাংলাদেশী মুদ্রায় ২৩৭৫৩ টাকা বেশী।

এর আগে চলতি অর্থ বছরের শুরুতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) আভাস দিয়েছিল করোনা মহামারীর কারনে বাংলাদেশী অর্থনীতির থেকে ভারতীয় অর্থনীতির বেশী ক্ষতি হবে। চলতি অর্থ বছরের শেষে এসে উভয় দেশের এই পরিসংখ্যান পাওয়া যায়।

মহামারীকালে পদত্যগ করলেন ইটালীর প্রধানমন্ত্রী

পদত্যগ করেছেন ইতালীর প্রধানমন্ত্রী গিওসেপ্পে কন্তে। মঙ্গলবার তিনি প্রেসিডেন্টের কাছে পদত্যগপত্র জমা দেন। গত সপ্তাহে তিনি আস্তাভোটে কোনক্রমে উতরে গেলেও সেদেশের সিনেটে সংখ্যাগরিষ্টতা হারিয়েছেন। করোনা মহামারীর কারনে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে শিল্পোন্নত এই দেশতিতে। ভেঙ্গে পড়েছে দেশটির অর্থনীতি, বিপর্যস্ত সারাদেশ। করোনায় দেশটিতে এখনো প্রতিদিন গড়ে মারা যাচ্ছেন ৪০০ মানুষ। দেশটিতে এ পর্যন্ত করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৮৬ হাজারের ওপরে। আক্রান্তের সংখ্যা ২৫ লক্ষ পেড়িয়ে গেছে। মহামারী ও অর্থনৈতিক অবস্থাকে নিয়ন্ত্রন করতে না পারার কারনেই তিনি পদত্যগ করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে।

তার জোট থেকে সরে গেছেন ইতালীর আরেক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দল। আর এ কারনে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তার অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে সেদেশের প্রেসিডেন্ট আবারও তাকে সরকার গঠনের সুযোগ দিতে পারে। এই অবস্থায় কন্তে হয়ত তার জোটের পরিধি বাড়িয়ে আরও শক্তিশালীভাবে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ফিরে আসতে পারেন। এই অবস্থায় দেশটিতে পুনঃনির্বাচনও হতে পারে। তবে সব মিলেয়ে দেশটিতে তালমাতাল অবস্থা চলছে। ইতালীতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশীও কাজ করছে। মহামারী ও অর্থনৈতিক মন্দার কারনে তারাও ভাল নেই।

মহামারীর মধ্যও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির মধ্য বাংলাদেশের অবস্থান ৯ম

দ্য ইকোনোমিস্ট পত্রিকার দৃষ্টিতে করোনা ভাইরাসের কারনে বিশ্বে মহামারীর মধ্যেও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির মধ্য বাংলাদেশের অবস্থান ৬৬ দেশের মধ্য ৯ম বলে মতামত দিয়েছে। পত্রিকাটি উদীয়মান দেশগুলির পাবলিক ডেট, ফরেন ডেট, কস্ট অফ বোরোয়িং এবং রিজার্ভ মানি-এই চারটি বিয়য়ের ওপর ভিত্তি করে এই মতামত দিয়েছে। এতে দেখা যায় বাংলাদেশের পিছনে অবস্থান করছে দক্ষিন এশিয়ার দেশ ভারত ও পাকিস্তান। তালিকায় ভারতের অবস্থান ১৮তম ও পাকিস্তানের অবস্থান ৪৩ম দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশের পরেই ১০ম স্থানে রয়েছে চীন। তালিকায় ১ নম্বরে রয়েছে বতসোয়ানা। নীচে তালিকাটি দেওয়া হল।

মতামতে বলা হয়েছে এই মহামারীর মধ্যেও বাংলাদেশ চলমান অর্থনীতিকে সুরক্ষিত করতে সক্ষম হবে। উল্লেখ্য লন্ডন ভিত্তিক দ্য ইকোনোমিস্ট পত্রিকাটি বরাবরই অর্থনীতির বিভিন্ন ফোরকাস্ট নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছে। সারাবিশ্বই এই পত্রিকাটির জরিপকে স্বীকৃতি দেয়। এই মহামারীর মধ্যও বাংলাদেশের জন্য এটি একটি আশা জাগানিয়া খবর। পত্রিকাটির ২মের প্রকাশিত সংখ্যায় এই খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে।

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রনোদনাসহ নানা প্যাকেজ ঘোষনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী

গনভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাসের কারনে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আপদকালীন নানা ধরনের প্রনোদনা ঘোষনা করেছেন। করোনা ভাইরাসের কারনে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার আর্থিক প্রনোদনা ঘোষনা। ৩০ হাজার কোটি টাকার শিল্প ঋন দেওয়া হবে ৪.৫% সুদে। এসএমই খাতে ২০ হাজার কোটি টাকা ঋন দেওয়া হবে ৪% সুদে। সারা দেশে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টীর মাঝে ১০ টাকা কেজি ধরে চাল দেওয়া হবে। লক্ষভ্রষ্ট জনগনের মধ্য নগদ অর্থ বিতরন করা হবে। সরকারী খরচে বিদেশ ভ্রমন নিরুৎসাহিত করা হবে। ইডিএফ ফান্ডের সুদের হার করা হয়েছে ২%। প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের কাছাকাছিই থাকবে।

মহা মন্দার হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে কৃষির ওপরই নির্ভর করতে হবে

বিডি খবর ৩৬৫ ডটকমঃ

সারাবিশ্বে ছড়িয়ে গেছে করোনা ভাইরাস। ১৯৯ দেশ ও অঞ্চল এই ভাইরাসের কবলে মহামারি আকার ধারন করেছে। আর সেই সাথে শুরু হয়েছে মহা মন্দাও। সারাবিশ্ব অচল হয়ে গেছে করোনা ভাইরাসে প্রাদুর্ভাবের কারনে। দেশে দেশে চলছে কারফিউ কিংবা লকডাউন। সরকারী-বেসরকারী ব্যবসা বানিজ্য প্রায় সব দেশেই বন্ধ হয়ে গেছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশেও রপ্তানি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, রেমিটেন্স যোদ্ধারাও তেমন কোন ভুমিকা রাখতে পারছে না। সামনেও তারা ভুমিকা রাখতে পারবে বলে মনে হয় না। ফলে অতীতের মত কৃষির ওপরই আমাদের নির্ভর করতে হবে। যেহেতু বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ, তাই খাদ্যে উৎপাদনে কৃষক ভাইদের আরও বেশী মনোনিবেশ করতে হবে। খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে। আর কৃষক ভাইদের সাহায্যার্থে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে, প্রনোদনা দিতে হবে যত বেশী সম্ভব। দেশের এক ইঞ্চি জমিও ফাঁকা রাখা যাবে না। তবেই দেশের মানুষ আসছে মহা মন্দা থেকে বেঁচে যাবে। আর বাকিটা আল্লাহ তালার ওপর নির্ভর করবে।

আর বিলম্ব না করে কৃষক ভাইদের এখনই ঝাপিয়ে পড়তে হবে কৃষি কাজে। ধান উৎপাদন বাড়াতে হবে ব্যপকভাবে পাশপাশি দেশের চাহিদা অনুযায়ী শাকসবজি, পিয়াজ, রসুন, আদা উৎপাদন করতে হবে। আর তাতে এই দেশের ১৮ কোটি মানুষের খাদ্যের অভাব পুরন হবে। অন্য দেশের ওপর ভরসা করলে আর চলবে না। নিজেদের খাদ্য নিজেরাই ফলাতে হবে।

ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানের রুপির মান সর্বনিন্ম অবস্থায়

অনলাইন ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

ইউএস ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানের রুপির মান সর্বকালের সর্ব নিন্ম অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবারে যার মান দাঁড়িয়েছে ১ ইউএস ডলার সমান পাকিস্তানের ১৪৩ রুপি। অবস্থা এমন হয়েছে যে পাকিস্তান আমদানী ঋন পত্রের টাকা পরিশোধ করতে পারছে না। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত এক বছরে রুপির মান ৬ বার অবনমন করেছে।

এক ইউএস ডলার সমান বাংলাদেশী ৮৩.৮২ টাকা। সেই হিসাবে বাংলাদেশের এক টাকা সমান পাকিস্তানের ১.৭ রুপি। অপরদিকে বলা যায় পাকিস্তানের ১ রুপি সমান বাংলাদেশের ৬০ পয়সা। পাকিস্তানি রুপির এই অবনমন থেকেই বুঝা যায় তাদের অর্থনীতি আমাদের থেকে কত পিছিয়ে আছে। পাকিস্তানের রিজার্ভ প্রায় শূন্য। যেখানে বাংলাদেশের রিজার্ভ উপছে পড়ছে।

ব্যাংক ঋণের সুদের হার ৯% এ নামিয়ে আনার ঘোষনা দিয়েছে বিএবি

নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ ব্যাংক ব্যাংক ঋণের সুদের হার ৯% এর মধ্য নামিয়ে আনার ঘোষনা দিয়েছে। আজ বুধবার  গুলশানে বৈঠক শেষে বিএবি এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। বৈঠকে সকল প্রাইভেট ব্যাংকের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান জুলাই থেকে ৩ মাস আমানতের ওপর ৬% এর বেশী সুদ ব্যাংকগুলি দিবে না। অপরদিকে ঋণের ওপর ৯% এর বেশী সুদ নিবে না।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিএবি’র চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কোনো ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিছুদিনের মধ্য আরো একটি বৈঠক করে এ বিষয়ে পরবর্তী করনীয় ঠিক করবেন তারা।

প্রবাসীদের পাঠানো অর্থে ভ্যাট-ট্যাক্স বসানোর খবরটি একটি গুজব

নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

সংসদে ২০১৮-১৯ সালের বাজেট উত্থাপন করার পর থেকে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর ভ্যাট-ট্যাক্স আরোপ করা হয়েছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এর পরিপেক্ষিতে অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যপক সমালোচনা ও ভ্যাঙ্গ চলতে থাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর কোন রকম ভ্যাট-ট্যাক্স বসানো হয়নি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকেও জানানো হয় প্রস্তাবিত বাজেটে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর কোন রকম ভ্যাট-ট্যাক্স বসানো হয়নি। জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্যই এমন গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে এনবিআর থেকে জানানো হয়। এনবিআর ধারনা করছে হুন্ডি ব্যবসায়ীরা এ গুজব ছড়িয়ে থাকতে পারে। এদিকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমও জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর কোন রকম ভ্যাট-ট্যাক্স আরোপ কর হয়নি।

নরসিংদীর হাট বাজারগুলিতে ধুমধামে চলছে চৈত্র সংক্রান্তি

নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

নরসিংদী জেলার বিভিন্ন হাট বাজারগুলিতে মহা ধুমধামে চলছে চৈত্র সংক্রান্তি। বেশ কয়েকদিন থেকেই এই অনুষ্ঠানটি চলছে। জেলার বিভিন্ন হাট বাজারগুলিতে এর প্রচলন শুরু হয়েছে বহুকাল আগে থেকেই। আজ বাংলা ১৪২৪ সনের শেষ দিন হওয়াতে আজকের দিনটি সারা বছরে দেওয়া বকেয়া টাকা উঠানোর জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নরসিংদী জেলার বিভিন্ন হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা সারা বছর গ্রাহকদের যে বাকী দিয়ে থাকেন বছরের শেষদিকে এসে এই বকেয়ার পরিমান অনেক বেড়ে যায়। তাই এই বকেয়া টাকা পাওনাদারদের কাছ থেকে উঠাতে তাদেরকে দাওয়াত করা হয়ে থাকে গদি কিংবা দোকানে। উদেশ্য হল বকেয়া টাকা উঠানো। এই সময় গ্রাহকদের পেট ভরে বিভিন্ন রকমের মিষ্টি খাওয়ানো হয়ে থাকে। আর এভাবেই চৈত্র সংক্রান্তি পালন করা হয় জেলার বিভিন্ন স্থানে। বিশেষ করে জেলার সর্বত্র সুতা ও মদি ব্যবসায়ীরা এই চৈত্র সংক্রান্তি বেশী পালন করে থাকেন। অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও এটি করে থাকেন পাওনা টাকা উঠানোর জন্য। এর মাধ্যমে সারা বছরে বকেয়া পড়া টাকার একটা বিরাট অংশ গ্রাহকদের কাছ থেকে পাওয়া যায়। তারপর ১লা বৈশাখ থেকে শুরু হয় আবার স্বাভাবিক লেনদেন। তবে বকেয়া টাকা উঠানোর জন্য সারা দেশেই ব্যবসায়ীরা চৈত্র সংক্রান্তি করে থাকেন।

সর্বজনীন উন্নয়ন সূচকে চীনের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান

নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

উন্নয়নশীল দেশগুলোর সর্বজনীন উন্নয়ন সূচকে এশিয়ার মধ্যে চীনের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। ভারত ও পাকিস্তান বাংলাদেশের পেছনে রয়েছে। ৭৪টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৪। চীনের অবস্থান ২৬ এবং ভারত ও পাকিস্তানের অবস্থান যথক্রমে ৬২ ও ৪৭। অপরদিকে শ্রীলংকার অবস্থান রয়েছে ৪০ নম্বরে।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম সোমবার ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স বা আইডিআই প্রকাশ করে। গত বছরই ফোরাম প্রথম এই ধরনের রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। ১০৩টি দেশকে দুই ভাগ করে তালিকা তৈরী করা হয়েছে। একদিকে রয়েছে ২৯টি উন্নত দেশ এবং অপরদিকে রয়েছে ৭৪টি উন্নয়নশীল দেশ। উন্নত দেশগুলির প্রথম স্থানে রয়েছে নরওয়ে ও ২য় স্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড। আমেরিকা ২৩ নম্বরে। জার্মানি ১২, ফ্রান্স ১৮, ব্রিটেন ২১, জাপান ২৪ এবং ইসরাইল ২৫ নম্বরে আছে। অপরদিকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে লিথুয়ানিয়া। দু’নম্বরে হাঙ্গেরি, তিনে আজারবাইজান, চারে লাতভিয়া এবং পাঁচ নম্বরে পোল্যান্ডের নাম।