শিক্ষক সমিতির মানব বন্ধন, ঢাবিকে অশান্ত করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে হুশিয়ারী

নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটাক্ষ করার প্রতিবাদে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির উদ্যেগে এক মানব বন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানব বন্ধনে শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাকসুদ কামাল ও সাধারন সম্পাদক রুবাইয়াতুল ইসলামসহ অন্যান্য শিক্ষক নেতা ও শিক্ষক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মানব বন্ধনে শিক্ষক সমিতির সভাপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির বিয়ষে শিক্ষক সমিতি বিন্দুমাত্র ছাড় দিবে না। অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে গত ১৯ জুলাই নিপীড়নবিরোধী শিক্ষকবৃন্দের এক সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আকমল হোসেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করে বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। ইতিমধ্যে শিক্ষক সমিতি ওই শিক্ষকের বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে মঙ্গলবার একটি বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে তারা অধ্যাপক আকমল হোসেনের বক্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানান। এর জবাবে অধ্যাপক আকমল হোসেন প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার বক্তব্যের ব্যাখা দেন।

অধ্যাপক মাকসুদ কামাল আরো বলেন, আমরা আশঙ্কা করেছি কোটা আন্দোলন এ দেশের ছাত্রদের অধিকারের আন্দোলন নয়। কোটা আন্দোলন হলো নির্বাচনের বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করে কিভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা নেওয়া যায় তার আন্দোলন। তিনি বলেন, কোটা আন্দোলনের ভেতর জামায়াত-বিএনপি ঢুকেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকারের প্রতি তিনি কটূক্তিকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরে তারা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ দাঁড়িয়ে বলে ‘তার পিতা কি মুক্তিযুদ্ধ করেছে?।’ এই অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি চুপ থাকতে পারে না। আমরা বিবৃতিতে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলেছি। সহকর্মীরা আইনের মাধ্যমে জিনিসটির সুরাহার কথা বলেছেন। পরবর্তী সময়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি দিব আলোচনা করে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় চীনপন্থি বুদ্ধিজীবীরা মুক্তিযুদ্ধে না গিয়ে শিক্ষক লাউঞ্জে বসে মুক্তিযুদ্ধের সমালোচনা করেছিল। বামপন্থী বুদ্ধিজীবীরা বলেছিল ভোটের বাক্সে লাথি মার বাংলাদেশ কায়েম কর। নিয়মাতান্ত্রিক প্রথায় বাংলাদেশ সৃষ্টির যে পদ্ধতি তা তারা সেদিন ব্যহত করার চেষ্ঠা করেছিল। আজ আবার এরাই এদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে ব্যহত করতে গনবিরোধী কর্মসূচী পালন করে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *